শাহজালালে বদ্ধ বিমানে ১৮২ যাত্রীর দুর্বিষহ ৫ ঘণ্টা

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১২ জুলাই ২০২৬, ২২:০৬

ফ্লাইট ছাড়ার কথা ছিল রাত ২টা ১৫ মিনিটে, কিন্তু কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় তা ছাড়ে সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে। এই সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা সময় ১৮২ জন যাত্রীকে বসিয়ে রাখা হয়েছিল বদ্ধ উড়োজাহাজে।


১১ জুলাই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতার মুখে পড়েন ঢাকা থেকে কলম্বোগামী ফিটস এয়ারের (৮ডি ০৯১২) ফ্লাইটের যাত্রীরা। দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকায় শারীরিক ও মানসিক বিপর্যয়ের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন এই যাত্রীরা। তাঁদের অভিযোগ, এতক্ষণ এক জায়গায় থাকায় অনেক যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। এই সময়ে তাঁদের খাবার বা প্রয়োজনীয় কোনো সহায়তা দেওয়া হয়নি। করা হয়েছে দুর্ব্যবহার।


ফ্লাইটটি ছাড়তে দেরি হওয়ার কথা জানালেও শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, যাত্রী ভোগান্তির কোনো অভিযোগ তারা পায়নি। এদিকে ফিটস এয়ারের একজন মুখপাত্র দেরির জন্য নিজেদের দায় অস্বীকারের পাশাপাশি যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এড়িয়ে যান।


কোনো ফ্লাইটে ত্রুটি দেখা দিলে মেরামতের জন্য যাত্রীদের নামিয়ে আনতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে দেরি বেশি হলে সাধারণত যাত্রীদের নামিয়ে আনা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্টেশনের নিয়ম অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে সাধারণত তিন ঘণ্টার বেশি এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে চার ঘণ্টার বেশি যাত্রীদের টারমাকে আটকে রাখা যায় না।


যাত্রীর বর্ণনায় দুঃসহ অভিজ্ঞতা


ফিটস এয়ারের ফ্লাইটটিতে শ্রীলঙ্কাগামী একজন যাত্রী ছিলেন সোনিয়া রিফাত। তিনি গো গার্লস নামের একটি নারী পর্যটক দলের সহপ্রতিষ্ঠাতা। কলম্বোয় পৌঁছানোর পর গতকাল শনিবার সোনিয়ার সঙ্গে কথা হয় প্রথম আলোর।


সোনিয়া বলেন, চেক-ইন কাউন্টার থেকে শুরু করে বিমানে ওঠা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল চরম বিশৃঙ্খলতায় ভরা। এয়ারলাইনসের কর্মীদের ব্যবহার ছিল অত্যন্ত অপেশাদার।


সোনিয়া বলেন, ‘ফ্লাইটে ওঠার পরপরই জানানো হয় কারিগরি ত্রুটি আছে। কিন্তু সমস্যা দ্রুত সমাধানের সম্ভাবনা না থাকা সত্ত্বেও যাত্রীদের বিমানের ভেতরেই জিম্মি করে রাখা হয়। আমি তীব্র শ্বাসকষ্টে ভুগতে শুরু করি, বারবার শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়েও বিমান থেকে নামার অনুমতি দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে দরজার সামনে গিয়ে একটু শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করতে হয়।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও