বিশ্বকাপে জনপ্রিয় হলেই ম্যাচসেরা
বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট কাটার পর ম্যাচসেরার পুরস্কারটি যখন হাতে নিলেন লামিনে ইয়ামাল, তাঁর চোখেমুখে খুব একটা উচ্ছ্বাস দেখা গেল না; বরং ক্যামেরার ফ্ল্যাশলাইটের সামনে তাঁর শরীরী ভাষায় মিশে ছিল একরাশ উদাসীনতা, যা কিছুদিন আগে অস্ট্রিয়া ম্যাচের পরও দেখা গিয়েছিল।
প্রায় একই রকম প্রতিক্রিয়া ছিল বসনিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা যুক্তরাষ্ট্রের মালিক টিলমানের। পুরস্কার হাতে ক্যামেরার দিকে তাকাতেও যেন তাঁর এক অদ্ভুত অনীহা! যেন জানেন, এই পুরস্কারের জন্য তাঁর চেয়েও বেশি যোগ্য কেউ আছেন।
কিন্তু মাঠের সেরা পারফরমারকে বেছে নেওয়ার এ আনুষ্ঠানিকতা কেন ফুটবলারদের কাছেই মাঝেমধ্যে এতটা ফিকে, এতটা অর্থহীন মনে হয়?
একটু ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যাক। ২০০২ সালের কোরিয়া-জাপান বিশ্বকাপে ফিফা প্রথম চালু করেছিল ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার। ২০২২ সালে লিঙ্গনিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এর নাম বদলে করা হয় ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’। শুরুর প্রথম দুটি সংস্করণে (২০০২ ও ২০০৬) মাঠের সেরা বেছে নেওয়ার দায়িত্ব ছিল ফিফার ‘টেকনিক্যাল স্টাডি গ্রুপ’-এর প্রথিতযশা বোদ্ধাদের হাতে। সেখানে আবেগ বা জনপ্রিয়তার চেয়ে ফুটবলের ব্যাকরণই ছিল শেষ কথা।
- ট্যাগ:
- খেলা
- ম্যাচসেরা
- ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬