বছর খানেক আগে ঢাকার দয়াগঞ্জ এলাকায় কনস্টেবল হুমায়ুন কবীর হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রীর সঙ্গে এক আত্মীয়র পরকীয়ার যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। এ ষড়যন্ত্রে এমন এক স্বজনেরও সংশ্লিষ্টতার কথা বলা হচ্ছে, যার স্বামী নিহতের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ধার নিয়েছিলেন।
হুমায়ুনকে মেরে ফেললে দেনার টাকা দিতে হবে না ধরে নিয়ে ওই নারী হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন বলে অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে।
যাত্রাবাড়ী থানার এসআই আওলাদ হুসাইন গত ২৬ মার্চ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ১ জুলাই অভিযোগপত্র আমলে নিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক।