চাঁদসহ বিভিন্ন গ্রহের নমুনা পৃথিবীতে আনার আগে পরীক্ষার পরামর্শ গবেষকদের, কেন

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১০ জুলাই ২০২৬, ১৭:৩৭

মহাবিশ্বের অজানা রহস্য জানার অন্য কোনো গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব আছে কি না, তা জানতে গবেষণার শেষ নেই বিজ্ঞানীদের। নাসাসহ বিভিন্ন দেশের মহাকাশ সংস্থাগুলো মঙ্গল গ্রহের পাশাপাশি দূরবর্তী গ্রহগুলোতে উচ্চাভিলাষী অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে। এসব অভিযানের মাধ্যমে মহাকাশ থেকে মূল্যবান পাথর, মাটি ও বরফের নমুনা পৃথিবীতে আনতে চায় সংস্থাগুলো। তবে অচেনা কোনো মহাজাগতিক উপাদান পৃথিবীতে নিয়ে আসার আগে নাসার ভবিষ্যৎ চন্দ্রঘাঁটিতে একটি বিশেষ জৈবনিরাপত্তা গবেষণাগার তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন স্ট্র্যাটেজিক থ্রেট অ্যানালাইসিস অ্যান্ড রিসার্চ ল্যাবরেটরিজের পরিচালক ফ্রেডেরিক আই মক্সলে এবং ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটির জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক অ্যান্থনি রিকিয়ার্ডি। তাঁদের মতে, মহাকাশ থেকে সংগৃহীত নমুনা পৃথিবীতে আনার আগে সেখানে নিরাপদে পরীক্ষা করার মাধ্যমে যেকোনো সম্ভাব্য জৈব ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।


অ্যাম্বিও সাময়িকীতে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, মহাকাশের নমুনা পৃথিবীতে আনার আগে চাঁদে পরীক্ষা করা সবচেয়ে নিরাপদ। আর তাই ভবিষ্যতে মহাকাশ মিশনের নমুনাগুলো সরাসরি পৃথিবীতে না এনে প্রথমে চাঁদে জৈবনিরাপত্তা কেন্দ্রে পরীক্ষা করতে হবে, যা বিজ্ঞানীদের যেকোনো অজানা জৈব উপাদান পরীক্ষা করার সুযোগ দেবে। একই সঙ্গে এটি পৃথিবীর জীবমণ্ডলের দূষণের ঝুঁকি অনেক কমিয়ে দেবে। গবেষণাগারটি মূলত একটি উন্নত কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশেষ কনটেনমেন্ট সিস্টেম, রোবোটিক হ্যান্ডলিং প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি দ্বারা সজ্জিত থাকবে। এসব যন্ত্রের মাধ্যমে মহাকাশ থেকে আনা উপাদানগুলো পৃথিবীতে পাঠানোর অনুমতি দেওয়ার আগে পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করা হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও