বৈদেশিক সম্পদে ভর করে বাড়ছে মুদ্রা সরবরাহ
দেশের অর্থনীতিতে প্রচলিত মোট অর্থের পরিমাণ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রিত মূল মুদ্রা উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্যাপক মুদ্রা (এম২) ৪ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২২ লাখ ২৮ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা হয়েছে। একই সময়ে রিজার্ভ মুদ্রা ২ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৪ লাখ ২৪ হাজার ৬২০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
বৈদেশিক সম্পদের উন্নতি, ব্যাংক আমানত বৃদ্ধি এবং আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতার কারণে মুদ্রা সরবরাহে এই প্রবৃদ্ধি এসেছে। তবে বেসরকারি খাতে ঋণের নিম্ন প্রবৃদ্ধি এখনো বিনিয়োগে প্রত্যাশিত গতি না ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা এক প্রতিবেদনের তথ্য পর্যালোচনা করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ব্যাপক মুদ্রা ও রিজার্ভ মুদ্রার প্রবৃদ্ধি অর্থনীতিতে তারল্যের উন্নতির ইঙ্গিত দিলেও বেসরকারি খাতে ঋণের ধীরগতি ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ ও শিল্প সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।
তাদের মতে, বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি মাত্র ১ দশমিক ৬০ শতাংশ হওয়ায় উৎপাদন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের গতি এখনো সন্তোষজনক নয়। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি উৎপাদনমুখী ঋণপ্রবাহ বাড়াতে পারলে সামনে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হতে পারে।