You have reached your daily news limit

Please log in to continue


প্রথমে জ্বর তারপর রক্তবমি, সেই থেকে হাসপাতালে ১৪ মাসের মালিহা

রাজধানীর মোহাম্মপুরের ১৪ মাস বয়সী মালিহা। সাতদিন আগে প্রথমে জ্বর আসে, ঘন ঘন বমি করতো। দ্বিতীয় দিন থেকে বমির সঙ্গে বের হয় রক্ত। এরপর তাকে দ্রুত নিয়ে আসা হয় রাজধানীর শিশু হাসপাতালে। সেখানে পরীক্ষা করে ধরা পড়ে ডেঙ্গু।

জাগো নিউজকে মালিহার মা বলেন, এখন চিকিৎসা চলছে। বাচ্চার শরীরে পানি চলে আসছে, ফুসফুসে পানি আছে। এটা ‍শুকালে ছেড়ে (রিলিজ) দেবে। আপাতত ভালোর দিকে।

এত ভয়ঙ্কর অবস্থা কীভাবে হলো? প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের বাসার পাশে ড্রেন, সেখানে প্রচুর মশা। এর মাধ্যমেই হয়তো ডেঙ্গু ছড়িয়েছে।

পাশের বেডেই রয়েছে এক বছর বয়সী আদিবা, এসেছে নড়াইল থেকে। তারও সাত দিন আগে থেকেই জ্বর, নেওয়া হয় নড়াইল হাসপাতালে। সেখান থেকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এখানে পাঠিয়েছে। এখন চিকিৎসা চলছে। কিছু টেস্ট করা হয়েছে, তবে এখনো রিপোর্ট আসেনি।

কথা হয় আদিবার মায়ের সঙ্গে। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, আমাদের ওখানে খাল, বিল, জলাশয় বেশি। ফলে মশাও বেশি। এজন্য এই অবস্থা হয়ে থাকতে পারে।

একই অবস্থা তাদের পাশের বেডের লামিয়ারও। শুধু মালিহা, আদিবা বা লামিয়া নয়, রাজধানীর শ্যামলীর শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের ডেঙ্গু রোগীদের সবার গল্প এমনই। গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সরেজমিনে হাসপাতালটিতে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের ৭৫ রোগীর পাশাপাশি আইসিইউ/এনআইসিইউতে ৫ জনের খোঁজ মিলেছে। পৃথক ওয়ার্ডে একজন করোনার এবং প্রায় শখানেক হামের রোগী আছে এই হাসপাতালে। তবে যে রোগী আছে তাতে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে সামাল দেওয়া গেলেও চাপ বাড়লে কঠিন হবে।

রোগীর চাপ বাড়লে প্রস্তুতি আছে কি না— জানতে চাইলে হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা মো. জিয়াউল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, শিশু হাসপাতালের প্রস্তুতি লাগে না, আমরা সারা বছর প্রস্তুত থাকি। আমাদের ১নং ওয়ার্ড বিশেষায়িত ডেঙ্গু ওয়ার্ড। এখানে বেডগুলো সারা বছর ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বরাদ্দ থাকে। বেশিরভাগ চিকিৎসকই ডেঙ্গুর বিষয়ে প্রশিক্ষিত। সুতরাং যে কোনো সময় আমরা ডেঙ্গু মোকাবিলায় প্রস্তুত। 

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন