বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা: নতুন লাইন নয়, আগে দরকার ‘স্মার্ট গ্রিড অপারেশন’
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত নিয়ে আলোচনা হলেই সাধারণত তিনটি বিষয় সামনে আসে—উৎপাদনঘাটতি, জ্বালানিসংকট এবং বিদ্যুতের দাম। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের আর্থিক সংকট, ঋণের বোঝা, সঞ্চালন ক্ষতি ও অব্যবহৃত সক্ষমতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, সেটি শুধু ট্যারিফ বা জ্বালানিসংকটের প্রশ্ন নয়। এর ভেতরে আরও গভীর একটি পরিকল্পনাগত সমস্যা আছে।
আমরা কি এখনো সঞ্চালনব্যবস্থাকে পুরোনো দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখছি? সমস্যা হলেই নতুন লাইন, নতুন সাবস্টেশন, নতুন বড় প্রকল্পের কথা উঠছে কেন? বিদ্যমান গ্রিডকেই সফটওয়্যার, ডেটা, সেন্সর, অপ্টিমাইজেশন ও স্মার্ট অপারেশনের মাধ্যমে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করার সময় কি এখনো আসেনি?
সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের ঋণ প্রায় ৫৯ হাজার ৬৯২ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। পুঞ্জীভূত লোকসান দেড় হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি। প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৩০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সঞ্চালনের সক্ষমতা তৈরি করলেও এর বড় অংশ পুরোপুরি ব্যবহার হচ্ছে না। একই সঙ্গে সঞ্চালন সিস্টেম লস ৩ দশমিক ৩১ শতাংশে উঠেছে। আবার ৭৪ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের একাধিক প্রকল্পও চলমান রয়েছে।