বিরোধী দলের কেউ অর্থবিলে কোনো সংশোধনী প্রস্তাব দিল না কেন
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনায় সরব ছিলেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। বিরোধী দলের ৯১ জন সদস্য প্রস্তাবিত বাজেটের বিভিন্ন দিকের সমালোচনা করেছেন, পরিবর্তনের দাবিও তুলেছেন। কিন্তু অর্থবিলের কোথায় কী পরিবর্তন চান, তা উল্লেখ করে তাঁদের কেউই দফাওয়ারি কোনো সংশোধনী প্রস্তাব দেননি।
সংসদ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিরোধী দলের পক্ষ থেকে অর্থবিলে কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না দেওয়ার ঘটনা বিরল।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে নির্দিষ্টকরণ বিল এবং আগের দিন সোমবার অর্থবিল-২০২৬ পাস হয়। মূলত শুল্ক-করের পরিবর্তনগুলো আনা হয় অর্থবিলের মাধ্যমে। কোনো সংসদ সদস্য প্রস্তাবিত শুল্ককরে কোনো পরিবর্তন চাইলে তাঁকে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে অর্থবিলে সংশোধনী প্রস্তাব দিতে হয়।
সংসদীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী কোনো বিল ‘সংসদে অবিলম্বে বিবেচনার’ প্রস্তাব দেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা বিলটি জনমত যাচাইয়ে পাঠানোর প্রস্তাব করতে পারেন। ওই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা শেষে তা সাধারণত নাকচ হয়ে যায়। এরপর পরবর্তী ধাপে (বিল পাসের আগে) সংসদ সদস্যরা বিলের কোথায় কোথায় সংশোধন চান, তা উল্লেখ করে সুনির্দিষ্টভাবে প্রস্তাব দিতে পারেন।
জনমত যাচাই, সংশোধনী প্রস্তাবের নোটিশ সংসদ সদস্যের একটি নির্দিষ্ট সময় আগেই দিয়ে রাখতে হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী যেকোনো সংশোধনী প্রস্তাব গ্রহণ বা নাকচ করার ইচ্ছা ব্যক্ত করতে পারেন। সেটি কণ্ঠভোটের মাধ্যমে গৃহীত বা নাকচ হয়। মূলত এই সংশোধনীর মাধ্যমেই বিলে পরিবর্তন আসে।
- ট্যাগ:
- রাজনীতি
- প্রস্তাবনা
- বাজেট অধিবেশন
- সংশোধনী