You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ব্রিটিশদের নজর তিরুপ্পুরের পোশাকশিল্পে, ঝুঁকছেন কিছু বাংলাদেশি ক্রেতাও

ভারত-যুক্তরাজ্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) ১৫ জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে। এর প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের পোশাক ক্রেতারা ভারতের তামিলনাড়ুর তিরুপ্‌পুর থেকে পোশাক সংগ্রহ বাড়ানোর দিকে নজর দিচ্ছেন। অ্যাপারেল এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিলের (এইইপিসি) চেয়ারম্যান এ শক্তিভেলের দাবি, যেসব ক্রেতা আগে থেকেই তিরুপ্‌পুর বা ভারতের অন্যান্য অঞ্চল থেকে পণ্য সংগ্রহ করছেন, তাঁরা অর্ডারের পরিমাণ বাড়াচ্ছেন। একই সঙ্গে যেসব নতুন ক্রেতা এত দিন বাংলাদেশ থেকে পোশাক সংগ্রহ করতেন, তাঁদের একটি অংশও এখন ভারতের দিকে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে শক্তিভেল বলেন, নিটওয়্যার উৎপাদনে তিরুপ্‌পুর দীর্ঘদিন ধরে ভারতের প্রধান কেন্দ্র। অন্যদিকে বোনা কাপড়ের শার্ট উৎপাদনে বেঙ্গালুরু এবং তৈরি পোশাক উৎপাদনে দিল্লি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। তাঁর ভাষ্য, ‘বাংলাদেশ বা ভিয়েতনামের তুলনায় ভারতের বড় সুবিধা হলো কাঁচামালের সহজলভ্যতা। এ কারণে ভারতের কিছু উৎপাদক তুলনামূলক কম দামে পণ্যের প্রস্তাব দিতে সক্ষম হতে পারেন।’

তবে এই পরিবর্তনের প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে দেখা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির বাস্তব প্রভাব আগামী কয়েক মাসের মধ্যে স্পষ্ট হতে শুরু করবে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাজ্যের ক্রেতারা ভারত থেকে কেনাকাটা বাড়াতে আগ্রহী ছিলেন, কিন্তু চুক্তিটি কবে কার্যকর হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। সে কারণে সাত-আট মাস ধরে যুক্তরাজ্যের কয়েকটি ব্র্যান্ড ভারতজুড়ে নতুন সরবরাহকারী খুঁজে দেখছে।

রপ্তানিকারকদের ভাষ্য অনুযায়ী, একসময় যুক্তরাজ্যের বাজারে মূলধারার পোশাকের বড় সরবরাহকারী ছিল তিরুপ্‌পুর। কিন্তু বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাওয়ার পর তিরুপ্‌পুর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্ডার হারায়। এখন ভারতও একই ধরনের শুল্কমুক্ত সুবিধা পেতে যাচ্ছে বলে হারানো সেই অর্ডারের একটি অংশ ফের তিরুপ্‌পুরে ফিরে আসতে পারে বলে তাঁদের আশা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন