ভুতুড়ে কণার রহস্যময় উৎসের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৫

মহাবিশ্বের অন্যতম বড় এক রহস্যের জট খোলার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী থেকে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরের এক প্রত্যন্ত গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ থেকে ছুটে আসা একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভুতুড়ে কণা বা গোস্ট পার্টিকেলের উৎস শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন তাঁরা। বিজ্ঞানীদের ধারণা, শ্যাডো ব্লাস্টার ডাকনামের ওই দূরবর্তী নক্ষত্র গঠনকারী ছায়াপথটি থেকেই উচ্চ শক্তির নিউট্রিনো পৃথিবীর দিকে ছুটে এসেছিল। এই কণার উৎপত্তিস্থল খুঁজে পাওয়াকে মহাকাশবিজ্ঞানের একটি বিরাট অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।


নিউট্রিনো মহাবিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। ভুতুড়ে কণা বলার কারণ হলো, এদের কোনো বৈদ্যুতিক চার্জ নেই, ভর নেই বললেই চলে এবং এরা অন্য কোনো পদার্থের সঙ্গে প্রায় কোনো রকম প্রতিক্রিয়া দেখায় না।


সাধারণত সুপারনোভা বা নক্ষত্রের বিস্ফোরণ, নক্ষত্রের ভেতরের পারমাণবিক বিক্রিয়া ও ভারী কণার ভাঙনের ফলে নিউট্রিনো তৈরি হয়। অ্যান্টার্কটিকার আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরির মতো উন্নত পরীক্ষাগারে এই কণাগুলো ধরা পড়লেও তারা ঠিক কোথা থেকে আসছে, তা খুঁজে বের করা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের জন্য সব সময়ই একটি বড় চ্যালেঞ্জ।


তাইওয়ানভিত্তিক জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণাপ্রতিষ্ঠান মিটোস সায়েন্স কোম্পানি লিমিটেডের গবেষক ডক্টর ইউজি উরাতা বলেন, নিউট্রিনো পদার্থের সঙ্গে খুব কমই মিথস্ক্রিয়া করে। এ কারণেই তারা প্রায় কোনো বাধা ছাড়াই পুরো মহাবিশ্ব ভ্রমণ করতে পারে। আইসকিউব যখন একটি উচ্চ শক্তির নিউট্রিনো শনাক্ত করে, তখন আকাশের সেই নির্দিষ্ট অবস্থানটি একটি গ্যালাক্সির আকারের চেয়ে অনেক বেশি বড় ও অস্পষ্ট এলাকাজুড়ে দেখায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও