You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বজ্রনিরোধক দণ্ডে কি কাজ হচ্ছে, না জেনেই কেন আরও স্থাপনের আলোচনা

চলতি মাসের ৩ তারিখ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের একটি আমবাগানে বজ্রপাতে মৃত্যু হয় মিরাজ নামের এক কিশোরের। ওই দিনই মারা যান পৌর এলাকার মনিরুল ইসলাম। ২২ মে থেকে ১৫ জুন—এই ২৫ দিনে এই বজ্রপাতে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়। অথচ জেলার বিভিন্ন স্থানে কয়েক বছর আগেই বসানো হয় বজ্রনিরোধক যন্ত্র বা লাইটনিং অ্যারেস্টার।

স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় অনেক জায়গায় অ্যারেস্টারগুলো অকেজো হয়ে আছে।

তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী দাবি করছেন, জেলার অ্যারেস্টারগুলো ঠিক আছে। মৃত্যুগুলো যেসব স্থানে ঘটেছে, সেখানে অ্যারেস্টার নেই।

বজ্রনিরোধক যন্ত্রগুলোতে বজ্রপাতের ঘটনার তথ্য থাকার কথা। সেগুলো আছে কি না—প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘এ তথ্য আমার কাছে নেই। খোঁজ নিতে হবে।’

বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে এই দণ্ডগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহল থেকে প্রশ্ন ওঠার পর অন্তর্বর্তী সরকার আমলে এগুলো আর নতুন করে স্থাপন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এগুলো আসলেই কার্যকর কি না, তার কোনো মূল্যায়ন না হলেও বর্তমান সরকার আবার বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপনের দিকে এগোচ্ছে।

ফলে প্রশ্ন উঠেছে, যে প্রযুক্তির কার্যকারিতা নিয়েই দেশ-বিদেশে বিতর্ক রয়েছে, যার বাস্তব ফলাফল নিয়ে মাঠপর্যায়ে স্পষ্ট মূল্যায়ন নেই, সেই প্রযুক্তিতেই আবার নতুন বিনিয়োগ কেন?

কোটি টাকার প্রকল্প, কিন্তু মূল্যায়ন নেই

বাংলাদেশে বজ্রপাতকে ২০১৬ সালে ‘জাতীয় দুর্যোগ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর বজ্রপাতের ‘হটস্পটগুলো’ চিহ্নিত করে বজ্রনিরোধক দণ্ড বসানোর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় ২০২১-২২ অর্থবছরে এ জন্য সাড়ে ১৯ কোটি টাকা বরাদ্দও রাখে।

এ কর্মসূচির আওতায় দেশের ১৫ জেলার ১৩৫ উপজেলায় মোট ৩৩৫টি বজ্রনিরোধক দণ্ড ও বজ্রপাত নিরোধক যন্ত্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিশেষ করে হাওরাঞ্চল, উন্মুক্ত মাঠ, কৃষি এলাকা এবং বজ্রপাতপ্রবণ জেলাগুলোতে এসব দণ্ড স্থাপন করা হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন