You have reached your daily news limit

Please log in to continue


পেটের মেদেরও প্রকারভেদ আছে! ডায়েট শুরু করার আগে জেনে নিন আপনার ভুঁড়ি কোন রকমের

ভুঁড়ি দেখতে যেমন খারাপ লাগে, তেমনই তা স্বাস্থ্যের পক্ষেও ভাল নয়। ধরুন, আপনার গায়েগতরে তেমন মেদ নেই, কিন্তু ঠিক পেট আর কোমর জুড়ে চর্বির প্রলেপ পড়ছে। পেটের কাছে ওই চর্বির স্তর কিন্তু আপনার সামগ্রিক চেহারাকেই নষ্ট করে দেবে। শুধু রূপ নয়, এই অবাঞ্ছিত ভুঁড়ি নষ্ট করে দেবে পরিশ্রম করার ক্ষমতাও। চল্লিশ হতে না হতেই পেট জুড়ে চর্বির স্তর যেন থলথল করছে, এমন সমস্যায় অনেকেই ভুগছেন। কারও স্থূলতা থেকে ভুঁড়ি বাড়চ্ছে, আবার কারও সেই অর্থে স্থূলতা না থাকলেও ভুঁড়িখানি দিব্যি শোভা পাচ্ছে। ভুঁড়ি কমাতে ডায়েট করছেন, কিন্তু সেটি আদৌ কী কারণে হয়েছে, তা জানা আছে কি? কারণের উপর নির্ভর করে ভুঁড়ির কিন্তু প্রকারভেদ আছে।

১) স্ট্রেস বেলি: মানসিক চাপ কিন্তু ভুঁড়ি হওয়ার অন্যতম কারণ। মানসিক চাপ বাড়লে শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়, হজম ঠিকমতো হয় না। এর পাশাপাশি ঘুমেও ব্যাঘাত ঘটে। ঘুম না হলে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। এই সব কারণেই মধ্যপ্রদেশে মেদ জমতে শুরু করে। এ ক্ষেত্রে ডায়েটের পাশাপাশি যোগ, প্রাণায়াম, ধ্যানও করতে হবে। মানসিক চাপ না কমালে এ ক্ষেত্রে রকমারি ডায়েট করেও ওজন কমবে না।

২) থাইরয়েড বেলি: হাইপোথাইয়েডিজ়মে আক্রান্ত হলে বিপাকহার কমে যেতে পারে। আর বিপাকহার কমে গেলে ওজন বেড়ে যায়। শুধু তা-ই নয়, পেট ফাঁপা, গ্যাস, হজমজনিত সমস্যাও শুরু হয়। এ ক্ষেত্রে ভুঁড়ি কমাতে হলে থাইরয়েডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি। পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে ডায়েটে আয়োডিনযুক্ত খাবার যোগ করতে হবে। প্রয়োজনে থাইরয়েডের সাপ্লিমেন্ট নিতে হতে পারে। থাইরয়েডের সমস্যা কমাতে ডায়েটে অ্যাভোকাডো, রকমারি বেরিজাতীয় ফল, নারকেল তেলের খাবার অবশ্যই রাখতে হবে।

৩) হরমোনাল বেলি: হরমোনের গোলমালে মেদ জমে পেটে। পিসিওস, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, মেনোপজ়, পেরিমেনোপজ়ের সময় শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বিগড়ে গেলে বিপাকে গোলমাল হয়। হজমশক্তি ধীর হয়ে যায়। চর্বি জমতে শুরু করে পেট, নিতম্ব ও ঊরুতে। বিশেষ করে পেটেই মেদ বেশি জমে। এ ক্ষেত্রে ভুঁড়ি কমানোর জন্য ডায়েটে শাকপাতা, বেরিজাতীয় ফল, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার রাখতে হবে, যা হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করবে। ডায়েটে প্রোবায়োটিকযুক্ত খাবার রাখতে হবে। এর পাশাপাশি, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হরমোনের ওষুধও খেতে হবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন