হাজার বছর আগেও ব্যবহার হতো কাজল, সত্যি জানলে চমকে যাবেন
কাজল শুধু সৌন্দর্যবর্ধনের প্রসাধনী নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজার বছরের ইতিহাস, স্বাস্থ্যচর্চা এবং সাংস্কৃতিক বিশ্বাস। বর্তমানে চোখের সৌন্দর্য বাড়াতে কাজল ব্যবহৃত হলেও প্রাচীনকালে এর ব্যবহার ছিল আরও বহুমাত্রিক।
ইতিহাসবিদদের মতে, সিন্ধু সভ্যতার সময় থেকেই কাজলের প্রচলন ছিল। সে সময় নারী-পুরুষ ও শিশুরা সমানভাবে কাজল ব্যবহার করতেন। আয়ুর্বেদে কাজলকে ‘অঞ্জন’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এটি চোখের যত্নে প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
খাঁটি ঘি বা রেড়ির তেলের প্রদীপের ধোঁয়া থেকে সংগৃহীত কার্বনের সঙ্গে কর্পূর, চন্দন ও কেশরের মতো ভেষজ উপাদান মিশিয়ে কাজল তৈরি করা হতো।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী, কাজলের শীতল উপাদান চোখের জ্বালা, লালচে ভাব ও ক্লান্তি কমাতে সহায়তা করত। পাশাপাশি ঘি-সমৃদ্ধ মিশ্রণ চোখকে আর্দ্র রাখত এবং শুষ্কতা প্রতিরোধে ভূমিকা রাখত।
প্রাচীনকালে কাজল ছিল চোখের সুরক্ষারও একটি কার্যকর উপায়। আধুনিক সানগ্লাসের প্রচলন না থাকায় সূর্যের তীব্র আলো থেকে চোখকে রক্ষা করতে চোখের চারপাশে গাঢ় কাজল ব্যবহার করা হতো।
- ট্যাগ:
- লাইফ
- কাজল
- প্রসাধনী
- সৌন্দর্যবর্ধন