অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, গত মার্চ মাসে বাংলাদেশের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৮২২৩.৪৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে। বিপুল এই ঋণের কারণে, আগামী বছরগুলোতে ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের দায় বাড়বে।
আজ বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে, জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আরও জানান, মোট ঋণের মধ্যে ৬১.৯৭ শতাংশ কনসেশনাল বা সহজ শর্তের ঋণ, আর ৩৮.০৩ শতাংশ নন-কনসেশনাল বা কঠিন শর্তের ঋণ।
এসময় আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনার বেশকিছু চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাংকের হিসাবমতে, বাংলাদেশ নিম্ন-আয়ের দেশ হতে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের ফলে আমাদের বৈদেশিক ঋণের 'কনসেশনালিটি' ধীরে ধীরে কমে আসছে। পাশাপাশি, একই সময় থেকে সরকারের বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ও বিপুলভাবে বেড়েছে। ফলে সামনের বছরগুলোতে ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের দায় বৃদ্ধি পাবে।"