সুরক্ষা লাগবে ৯২ পণ্যে, বিকল্প ব্যবস্থার সুপারিশ
স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) হিসেবে বাংলাদেশ যে এত দিন স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিতে পণ্য আমদানিতে প্যারা ট্যারিফ, অর্থাৎ শুল্কের বাইরে অতিরিক্ত কর আরোপ করে এসেছে, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর তা আর পারা যাবে না। বাংলাদেশ এত দিন নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি), সম্পূরক শুল্ক (এসডি) এবং ন্যূনতম শুল্কমূল্য, অগ্রিম আয়কর (এআইটি) ইত্যাদি প্যারা ট্যারিফ আরোপ করে এসেছে। এলডিসি উত্তরণের পর সেটি আর পারবে না। তাই এখন নতুন উপায় হিসেবে বাংলাদেশকে এখন ট্রেড রেমেডি ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হবে।
বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের (বিটিটিসি) জন্য বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট (বিএফটিআই) পরিচালিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন সুপারিশ করা হয়েছে। জরিপ, সাক্ষাৎকার, ফোকাস গ্রুপ আলোচনা এবং অর্থনৈতিক মডেল বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে এ প্রতিবেদন। এতে বাংলাদেশের বর্তমান বাণিজ্য সুরক্ষাকাঠামো, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, রপ্তানিকারকদের চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে উন্মুক্ত বাণিজ্য পরিবেশে দেশি শিল্প ও রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখা। এ জন্য শুধু শুল্ক সুরক্ষার ওপর নির্ভর না করে আন্তর্জাতিক নিয়মের মধ্যে থেকে কার্যকর ট্রেড রেমেডি কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। অন্যথায় সস্তা ও ভর্তুকিপ্রাপ্ত আমদানির চাপের মুখে অনেক দেশি শিল্পেরই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।