প্রশাসনে সততা মূল্যায়িত হচ্ছে কি

যুগান্তর এ কে এম শামসুদ্দিন প্রকাশিত: ২২ জুন ২০২৬, ১১:১৮

গত ১১ জুন যুগান্তরে প্রকাশিত একটি শিরোনাম বোধকরি অনেকেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। শিরোনামটি ছিল, ‘ভূমিমন্ত্রীও রাখতে পারলেন না সেই এডিসিকে!’ তার ঠিক উপরে লাল করে লেখা, ‘২৪ দিনে ৩ বার বদলি’। খবরটা পড়ে খুব যে বেশি বিস্মিত হয়েছি, তা নয়। আমার মনে হয়, এ ধরনের খবর পড়তে আমরা সবাই অভ্যস্ত হয়ে গেছি। বাংলাদেশের দুর্নীতি নিয়ে খবর নতুন কিছু নয়। সরকার আসে, আবার সরকার পরিবর্তন হয়। কিন্তু দুর্নীতির ঘটনার কোনো পরিবর্তন ঘটে না।


অথচ দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’ ঘোষণা করে সব সরকারই ক্ষমতায় আসে। কিন্তু দুর্নীতি বন্ধ হয় না। আগেই বলেছি, পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে নতুনত্বের কিছু নেই। তবে চমক আছে! চমকটি হলো দুর্নীতির অন্যতম পৃষ্ঠস্থান, সরকারি সচিবালয়ের কতিপয় আমলার কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশ সরকারের একজন পূর্ণমন্ত্রীর অসহায়ত্ব প্রকাশ। প্রকাশিত মূল শিরোনামের ঠিক নিচে নীল রঙের অক্ষরে লেখাটি পড়লেই তার মর্মার্থ বোঝা যাবে। লেখা আছে, ‘এমন তো হওয়ার কথা নয়, বিষয়টি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মনিটরিং করছেন-মিজানুর রহমান মিনু।’ মো. মিজানুর রহমান মিনু হলেন বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদের একজন মন্ত্রী। ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠন হওয়ার পর তিনি ভূমিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও