You have reached your daily news limit

Please log in to continue


‘বাবার সাথে সম্পর্কটা আমার বন্ধুর মতো’

একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার। দেশের অন্যতম নামী নাটকের দল ‘থিয়েটার’-এর প্রাণপুরুষ তিনি। ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে মঞ্চের সঙ্গে জড়িত রামেন্দু মজুমদার এখনো ‘লাভ লেটারস’ নাটকে অভিনয় করেন। আজ বাবা দিবসে তাকে নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে কথা বলেছেন মেয়ে, মঞ্চনির্দেশক ও অভিনয়শিল্পী ত্রপা মজুমদার।

ত্রপা মজুমদার বলেন, ‘প্রথমেই বলব, বাবা একজন প্রকৃত সৎ ও ভালো মানুষ। তিনি দেশকে ও মানুষকে খুব ভালোবাসেন। একজন মানুষের যত রকম গুণাবলি থাকা দরকার, তা বাবার মধ্যে আছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, বাবা অল্পতে তৃপ্ত থাকেন। তার অনেক চাওয়া নেই। বাবার এসব গুণ আমাকে মুগ্ধ করে। আমি সব সময় চেষ্টা করি বাবার গুণগুলো ধারণ করতে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাবা কখনো কিছু জাহির করেন না। কম কথা বলেন। কেউ হয়তো প্রথমে তাকে দেখলে কিছুটা গম্ভীর মনে করতে পারেন। কিন্তু না, বাবা অনেক বড় মনের মানুষ। তার সঙ্গে মিশলেই বোঝা যায়, তিনি মানুষকে কতটা ভালোবাসেন। আমার জীবনে বাবা ভীষণ রকম প্রভাব ফেলেছেন।’

বাবার কর্মজীবনের প্রসঙ্গ টেনে ত্রপা মজুমদার বলেন, ‘বাবার কর্ম, তার অবদান এবং থিয়েটার জীবনই শুধু আমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আরও অনেকের মধ্যেই তা ছড়িয়ে আছে। বাবা থিয়েটারের মাধ্যমে তার কর্ম অনেকের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পেরেছেন।’

সাধারণত দেখা যায়, বাবার সঙ্গে সন্তানের কিছুটা দূরত্ব থাকে। সব কথা সব সময় হয়তো বাবাকে না বলে মাকে বলা হয়। কিন্তু ত্রপা মজুমদারের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। তিনি বলেন, ‘আমি বাবাকে সব কথা বলতে পারি। বাবার সঙ্গে সম্পর্কটা আমার বন্ধুর মতো। যেকোনো কথা বাবাকে বলা যায়।’

পড়াশোনায় মায়ের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে ত্রপা বলেন, ‘পড়াশোনার সব বিষয় মা-ই দেখতেন। ছোটবেলায় বাবা হয়তো জানতেনই না আমি কোন ক্লাসে পড়ছি! কিন্তু বড় হওয়ার পর বাবার সঙ্গে সম্পর্কটা বন্ধুত্বপূর্ণ হয়ে যায়। বাবা আমার কাছে বন্ধুর মতো। কথার পারস্পরিক আদান-প্রদান সব বাবার সঙ্গেই হতে শুরু করে। আমি বাবার প্রচণ্ড সাপোর্ট পাই।’

পেশাগত জীবনে বাবার অবদানের কথা জানিয়ে ত্রপা মজুমদার বলেন, ‘আমার নাটক করা, পেশা হিসেবে বিজ্ঞাপনকে বেছে নেওয়া, সবকিছুতেই বাবার অবদান আছে। বাবার সঙ্গে আমার সব কিছু মিলে যায়। মায়ের অবদানও কম নয়, কিন্তু বাবা আমার কাছে বন্ধুর মতো। বাবাকে আমি সব কথা বলতে পারি।’

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন