You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সারাবছর রিটার্ন জমার সুযোগ, প্রথম প্রান্তিকে দিলে মিলবে ছাড়

নতুন করবর্ষ থেকে ব্যক্তিশ্রেণিতে সারাবছর রিটার্ন দাখিলের প্রস্তাব করা হয়েছে, যেখানে প্রথম প্রান্তিকে জমা দিলে ছাড় দেওয়ার কথা বলেছে সররকার।

আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমার নির্দিষ্ট সময় বারবার বাড়িয়েও কাঙ্খিত করদাতা না মেলায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট এই প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

এজন্য অর্থবিলের মাধ্যমে আয়কর আইনের সংশোধন আনা হয়। সেখানে শর্ত সাপেক্ষে কোনো আয়বর্ষ শেষ হওয়ার পর পরবর্তী করবর্ষের পুরো সময়জুড়ে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে প্রান্তিক বিবেচনায় কর পরিশোধেরে বিধান আলাদা হবে।


অর্থাৎ, কোন প্রান্তিকে রিটার্ন জমা পড়ছে, তা বিবেচনায় নিয়ে কর বা প্রণোদনার হিসাব করা হবে।

অর্থবিল ২০২৬ এ বলা হয়েছে, ব্যক্তিশ্রেণির করদাতা প্রথম প্রান্তিক যদি ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হয়, তাহলে ‘দ্রুত’ রিটার্ন দাখিলের জন্য ৫ শতাংশ হারে ছাড় পাবেন। তবে ছাড়ের পরিমাণ হবে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা।

তবে এই কর প্রণোদনা কীভাবে মিলবে তার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়নি অর্থবিলে; আয়কর বিশ্লেষকরাও এ নিয়ে শঙ্কার কথা বলছেন।


তাদের মতে, আয়কর পরিশোধের সময়ই এই ছাড় দেওয়াটা ভালো হবে। কিন্তু পুরো কেটে নেওয়ার পর ফেরত দেওয়ার বিষয় হলে অনেকের মধ্যে ফিরে না পাওয়ার শঙ্কা তৈরি হতে পারে। আর জের টানার সুযোগ থাকলে সেটি অনেক করদাতা প্রণোদনা হিসেবে নাও দেখতে পারেন।

অতিরিক্ত কর অগ্রিম বা উৎসে কেটে রাখা হলেও অনেক ক্ষেত্রে ফেরত না পাওয়ার অভিযোগ আছে। ফেরত পাওয়ার জন্য আয়কর কর্মকর্তাদের কাছে আবেদন করা কিংবা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে।

কোনো ব্যক্তিশ্রেণির করদাতা দ্বিতীয় প্রান্তিক, অর্থাৎ ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে জমা দিলে ছাড় পাবেন না। তবে অতিরিক্ত করও দিতে হবে না।

যদি তৃতীয় প্রান্তিক, অর্থাৎ ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করেন তখন, ‘বিলম্বে’ রিটার্ন দাখিলের জন্য জরিমানা দিতে হবে। সেই জরিমানা হবে করের দুই শতাংশ বা সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন