মাত্র ২৯% জনবলে চলছে স্বাস্থ্য খাত, সরকারি হিসাবেই শূন্যপদ ৭২ হাজার

জাগো নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৪০

এক ঐতিহাসিক জনমিতিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের ইতিহাসে এখন নির্ভরশীল মানুষের চেয়ে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর (১৫ থেকে ৬৪ বছর) সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যাকে অর্থনীতি ও জনসংখ্যা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‌‘জনমিতিক লভ্যাংশ’ বা ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’। এই বিরল সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতিকে বহুগুণ শক্তিশালী করার প্রধান শর্তই হলো একটি সুস্থ, দক্ষ ও কর্মক্ষম প্রজন্ম গড়ে তোলা। কিন্তু দেশের বর্তমান স্বাস্থ্য খাতের যে বাস্তব চিত্র, তা এই ঐতিহাসিক সম্ভাবনাকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।  


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংখ্যা বিজ্ঞান বিভাগের সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে দেশের স্বাস্থ্য জনবলের এক ভয়াবহ ও হতাশাজনক চিত্র। ‘পটেনশিয়ালস অব হেলথ ওয়ার্কফোর্স ফর হারনেসিং ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড ইন বাংলাদেশ: অপরচিউনিটিজ, চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড ইমপ্লিকেশনস’ শীর্ষক এই গবেষণায় দেখা গেছে, তীব্র স্বাস্থ্যকর্মী সংকট, ভৌগোলিক বৈষম্য, নীতিনির্ধারণী শূন্যতা এবং সরকারি পদের বিশাল শূন্যতার কারণে দেশ প্রতি বছর প্রায় ৫৬ মিলিয়ন কর্মঘণ্টার চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।


বৈশ্বিক মানদণ্ড থেকে বহুদূরে বাংলাদেশ


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বৈশ্বিক সুপারিশ অনুযায়ী, একটি দেশের ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা সচল রাখতে প্রতি ১০ হাজার জনসংখ্যার বিপরীতে অন্তত ৪৪ দশমিক ৫ জন দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী (চিকিৎসক, নার্স ও মিডওয়াইফ) থাকা বাধ্যতামূলক। অথচ বাংলাদেশে এই সংখ্যা মাত্র ১২ দশমিক ৭৮ জন— যা বৈশ্বিক মানদণ্ডের মাত্র ২৯ শতাংশ। অর্থাৎ, দেশের স্বাস্থ্য খাতে এখনো ৭১ শতাংশ দক্ষ জনবলের ঘাটতি রয়েছে।  


কেবল মোট সংখ্যার ঘাটতিই নয়, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় ক্ষতটি হলো চিকিৎসক ও নার্সদের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ অনুপাতের চরম ব্যবধান। ডব্লিউএইচও’র আন্তর্জাতিক আদর্শ অনুপাত অনুযায়ী, একজন চিকিৎসকের বিপরীতে ৩ জন নার্স এবং ৫ জন মিডওয়াইফ (১: ৩: ৫) থাকা আবশ্যক। অথচ মাঠপর্যায়ের তথ্য বলছে, বাংলাদেশে এই অনুপাত মাত্র ১: ০.৭৪: ০.০৭৫। চিকিৎসকের চেয়ে নার্স ও ধাত্রীদের এই চরম স্বল্পতার কারণে হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ চিকিৎসাসেবা মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। চিকিৎসকদের এমন অনেক প্রশাসনিক ও সহায়ক কাজ করতে হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক নিয়মে নার্সদের করার কথা।  

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও