কালচারাল রোডম্যাপ

যুগান্তর মোস্তফা সরয়ার ফারুকী প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭

আরকিওলজি, কালচার ও পর্যটনের সমন্বয়


যৌক্তিক কারণেই অনেক দেশই সংস্কৃতি ও পর্যটনকে একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালনা করে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উভয় ধরনের পর্যটনই নির্ভর করে একটি দেশের মানুষ, সংস্কৃতি, মিউজিয়াম, ইতিহাস, প্রত্নতাত্ত্বিক ও প্রাকৃতিক নিদর্শন, কুলিনারি এবং সামগ্রিক কালচারাল রিপ্রেজেন্টেশনের ওপর। বর্তমান বিশ্বে শুধু প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের অস্তিত্বই যথেষ্ট নয়। মানুষকে এসব স্থানে আকৃষ্ট করতে হলে মিউজিক, সাউন্ড, লাইট, ইতিহাস বর্ণনা করার জন্য আর্ট ইনস্টলেশন, কুলিনারি এবং নানা রকম ভিজুয়াল ইলেমেন্ট প্রয়োজন হয়।


এ কাজগুলো করার জন্য বর্তমানে সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ বিভাগ সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকলেও পর্যটন খাত বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে। দায়িত্ব বণ্টনের এ কাঠামোটি খানিকটা অস্বাভাবিক। দুই খাতকে একীভূত করা গেলে প্রতিবছর পরিষ্কার টার্গেট বেজ্ড অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি, বাস্তবায়ন ও মনিটর করা যাবে।


পাশাপাশি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও প্রয়োজন। বর্তমানে আমাদের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, আর্কাইভ, জাদুঘর এবং অনুরূপ প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত আমলাদের দ্বারা পরিচালিত হয়। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে যেন বিশেষজ্ঞ হন। সাবজেক্ট এক্সপার্ট ছাড়া বর্তমান দুনিয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করা অসম্ভব হবে। এ কারণেই বিধান সংশোধন করে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পদ্ধতি গ্রহণ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, পাহাড়পুরসহ দেশের অন্যান্য বৌদ্ধ ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত স্থানগুলোকে একটা ক্লাস্টারের আওতায় এনে একটা বুদ্ধিস্ট ট্যুর প্যাকেজ করলে এবং সেখানে বুদ্ধিস্ট কালচার, মিউজিক, কুলিনারির সমন্বয় ঘটালে এটা পূর্ব-এশিয়ার বিপুলসংখ্যক পর্যটককে আকৃষ্ট করতে পারে। এরকম আরও অনেক ইনোভেটিভ পরিকল্পনা সম্ভব, যদি আমরা সাবজেক্ট এক্সপার্টদের নিয়োগ দিতে পারি।


মিউজিয়াম সংস্কার


গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ছিল আমাদের প্রথম দৃশ্যমান অর্জন। কিন্তু ইতিহাসকে দলীয় ও আধিপত্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মুক্ত করতে না পারলে এ অর্জন দীর্ঘস্থায়ী হবে না। ইতিহাস ও ঐতিহাসিক বয়ান প্রায়ই একটি দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতাকে নিয়ন্ত্রণ করার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হলো, বিকৃত সিলেক্টিভ ইতিহাস থেকে বেরিয়ে আমাদের দীর্ঘ ইতিহাসকে সম্পূর্ণরূপে গ্রহণ করা। কৃষক আন্দোলন থেকে শুরু করে শের-ই-বাংলার উত্তরাধিকার, ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়া, সবার অবদান ও ভূমিকা ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে স্বীকার করতে হবে। এতে আমরা আওয়ামীপন্থি বুদ্ধিজীবীদের তৈরি ‘এক ব্যক্তি, এক দল, এক সংস্কৃতি’-কেন্দ্রিক আধিপত্যবাদী কাঠামো থেকে মুক্ত হতে পারব।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও