যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে: আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সই হওয়া অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) চুক্তি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানিনিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
আজ বুধবার জাতীয় সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এ আশাবাদের কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।
রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্প্রতি অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন তুলা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কসুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। চুক্তিটি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানিনিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বাজার সম্প্রসারণ ও শুল্কসুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্যচুক্তি, ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (এফটিএ) বা মুক্তবাণিজ্য চুক্তি এবং কম্প্রেহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) বা সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি সম্পাদনের উদ্যোগ চলমান।
খলিলুর রহমান বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সিইপিএ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে; মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনের কার্যক্রমও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে জিসিসি (উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থা), মারকোসুর (দক্ষিণ আমেরিকার বাণিজ্যিক জোট) এবং অন্যান্য আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।