You have reached your daily news limit

Please log in to continue


জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে বড় পদক্ষেপ, বিপদ ঘটার আগে রোগ চিহ্নিত করবে দেশের প্রথম টেস্ট কিট

জরায়ুমুখের ক্যানসার ধরা পড়বে অনেক আগেই। হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) শরীরে পাকাপাকি ভাবে বাসা বাঁধার আগেই তাকে চিহ্নিত করতে নতুন এক টেস্ট কিট তৈরি করেছে ভারত। এ দেশের গবেষকদের তৈরি ‘এইচপিভি ডিএনএ টেস্ট’ ভাইরাসের বিপজ্জনক স্ট্রেনগুলিকে শনাক্ত করতে পারবে বলে দাবি করা হয়েছে।

জরায়ুমুখের ক্যানসার নিয়ে দেশে এই ধরনের টেস্ট কিট প্রথম বারই তৈরি হয়েছে। সেটি কতটা কার্যকরী হতে পারে, তার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করেছে দিল্লির এমস, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ক্যানসার প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ। সেই ফলাফল দেখে এই পরীক্ষা পদ্ধতিটিকে কার্যকরী বলে অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এবং ফ্রান্সের ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যানসার (আইএআরসি)।

হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের অসংখ্য প্রজাতি আছে। তার মধ্যে কয়েকটি জরায়ুমুখের ক্যানসারের জন্য দায়ী। সেগুলিকে চিহ্নিত করবে ওই টেস্ট কিট। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘ট্রুনাট এইচপিভি-এইচআর প্লাস টেস্ট’। গবেষকেরা দাবি করেছেন, এইচপিভি-র যে স্ট্রেনগুলি ক্যানসারের জন্য দায়ী সেগুলিকেই সবচেয়ে আগে খুঁজে বার করা যাবে এই পরীক্ষা পদ্ধতিতে। তাতে সময় লাগবে কয়েক মিনিট। এত দিন এই পরীক্ষা করা হয় ‘প্যাপ স্মিয়ার’ টেস্টের মাধ্যমে। যাতে সময় বেশি লাগত এবং ভুল হওয়ার আশঙ্কাও থাকত। কিন্তু ট্রুনাট টেস্টে তা হবে না বলেই দাবি করা হয়েছে। এইচপিভি টেস্ট-কিট আসলে ‘রিয়্যাল-টাইম আরটি-পিসিআর’ পদ্ধতি। এই টেস্ট-কিটে এক ধরনের চিপ বসানো রয়েছে, যাতে রোগীর শরীর থেকে নেওয়া নমুনা ফেললে তার জিনগত বিন্যাস খুব দ্রুত বোঝা যাবে। যদি ভাইরাস থাকে, তা হলে সেটি কোন প্রজাতির এবং ক্যানসারের কারণ হয়ে উঠবে কি না, তা জিনের বিন্যাস দেখেই ধরতে পারবেন চিকিৎসকেরা। রোগ দেখা দেওয়ার আগেই সতর্ক হওয়া যাবে। আবার যদি ক্যানসার কোষের বিভাজন শুরু হয়ে যায়, তা হলে দ্রুত তা শনাক্ত করে চিকিৎসাও শুরু করা যাবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন