ধর্ষণ ও হত্যা মামলা: আলোচনায় না এলেই তদন্ত থেমে যায়

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৭ জুন ২০২৬, ০৯:৩৭

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মাত্র চার কার্যদিবসে বিচার শেষ করে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। কিন্তু এর উল্টো চিত্রও রয়েছে। দেশে অনেক ধর্ষণ ও হত্যা মামলা মাসের পর মাস, বছরের পর বছর তদন্ত পর্যায়েই আটকে আছে। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকলেও বেশির ভাগ ঘটনায় তা মানা হয় না।


অপরাধ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যেসব ধর্ষণের ঘটনা গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসে কিংবা মানবাধিকার সংগঠনগুলো সোচ্চার হয়, সেসব ক্ষেত্রে তদন্ত তুলনামূলক দ্রুত এগোয়। কিন্তু আলোচনার বাইরে থাকা অধিকাংশ মামলার তদন্তে গতি পায় না।


তবে পুলিশ বলছে, ডিএনএ পরীক্ষা, মেডিক্যাল প্রতিবেদন এবং ফরেনসিক প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক মামলার তদন্ত নির্ধারিত সময়ে শেষ করা সম্ভব হয় না।


গত বছরের ৫ মে বান্দরবানের থানচির তিন্দু ইউনিয়নের মংখ্যং পাড়ায় জুমখেতে ধান রোপণ করতে যান চিংমা খিয়াং নামের এক নারী। সন্ধ্যায় বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন খুঁজতে গিয়ে তাঁর মরদেহ পান। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, রাস্তার কাজে নিয়োজিত তিন শ্রমিক তাঁকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। পরদিন ওই নারীর স্বামী সুমন খিয়াং বাদী হয়ে থানচি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা করেন। এ ঘটনার বিচার চেয়ে এলাকার লোকজন মানববন্ধন করেন। বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দ্রুত বিচার চেয়ে বিবৃতি দেন ৪৭৫ জন বিশিষ্ট নাগরিক।


এই মামলা সম্পর্কে খোঁজ নিতে গত শনিবার প্রথম আলোর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকারের সঙ্গে। তিনি কিছুদিন আগে এখানে যোগ দিয়েছেন জানিয়ে বলেন, এ মামলার আসামিদের এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মামলার অগ্রগতিও সেভাবে হয়নি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও