উদ্ধার হওয়া এক লাখ ইয়াবা গায়েব, বহনকারীকে ছেড়ে দেওয়া হয় ওসির নির্দেশে

প্রথম আলো চট্টগ্রাম প্রকাশিত: ১৬ জুন ২০২৬, ১১:১৩

কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম নগরে আসার পথে পুলিশের এক সদস্যের কাছ থেকে এক লাখ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করে নগরের বাকলিয়া থানা-পুলিশ। তবে এ ঘটনায় মামলা না করে হাতিয়ে নেওয়া হয় উদ্ধার করা ইয়াবা বড়ি। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নির্দেশে ছেড়ে দেওয়া হয় বহনকারীকে। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন ওসি।


চট্টগ্রাম নগর পুলিশের করা এক তদন্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এ প্রতিবেদন গত ২৯ এপ্রিল পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাটি ঘটে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর। যাঁর কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার হয়, তাঁর সঙ্গে আরেক ব্যক্তির কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এরপর অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মো. ওয়াহিদুল হক চৌধুরীকে প্রধান করে পুলিশের ওই তদন্ত কমিটি করা হয়।


ঘটনার সময় বাকলিয়া থানার ওসির দায়িত্বে ছিলেন আফতাব উদ্দিন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ওসি। তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর আট পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হলেও ওসি আফতাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল-আমিন সরকার, এসআই মো. আমির হোসেন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাইফুল আলম, এএসআই জিয়াউর রহমান, এএসআই সাদ্দাম হোসেন, এএসআই এনামুল হক, কনস্টেবল রাশেদুল হাসান ও কনস্টেবল উম্মে হাবিবা স্বপ্না।


যে পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার করার অভিযোগ উঠেছে, তাঁর নাম ইমতিয়াজ হোসেন। কক্সবাজার জেলা আদালতের এক বিচারকের গানম্যান ছিলেন তিনি। ঘটনার পর তাঁকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সর্বশেষ এ ঘটনায় ৯ জুন বাকলিয়া থানার পরিদর্শকের (তদন্ত) দায়িত্বে থাকা তানভীর আহমেদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।


এ ঘটনার প্রায় ছয় মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে মামলার সুপারিশ করা হয়। আত্মসাৎ হওয়া ইয়াবা বড়িও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি গ্রেপ্তার হননি ইয়াবা পাচারে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য।


পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে ওসিকে অভিযুক্ত করে বলা হয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৪৬ ধারার বিধান অনুযায়ী মাদকদ্রব্য–সংক্রান্ত অপরাধগুলো আমলযোগ্য অপরাধ। তা সত্ত্বেও কোনো ব্যক্তিকে মাদকসহ আটকের পর ওসি মামলা না করে পিআরবির (বাংলাদেশ পুলিশ প্রবিধান) ২৪৪ বিধি লঙ্ঘন করেছেন। একই সঙ্গে পুলিশ আইনের ২৯ ধারার অপরাধ করেছেন।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও