You have reached your daily news limit

Please log in to continue


সুগন্ধির জোছনা ও স্মৃতির উঠোন

(পূর্ব প্রকাশের পর্ব-২)

‘ও কারিগর, দয়ার সাগর, ওহে দয়াময় / চাঁদনি পসর রাইতে যেন আমার মরণ হয়…’।

সুগন্ধি গ্রামে আমাদের বাড়ির আদি নাম ‘পরদাইন্না বাড়ি’। আমার বাপ-দাদার পূর্বপুরুষ নাকি প্রধানিয়া পদবিধারী ছিলেন। কুলীন বংশ। কিন্তু আমার দাদা কেন ও কীভাবে তাঁর নামের শেষে সরকার পদবী লুফে নিয়ে লুতফে আলী সরকার বনে গেলেন, তা আজও আমাদের কাছে অজানা। দাদার ছেলেদের মধ্যে একমাত্র মেজো কাকা মোখলেসুর রহমান, ওরফে চুনু কাকা, নামের শেষে ‘সরকার’ পদবী রেখে তাঁর বাপকে ধন্য করেছেন বটে; তবে দাদার বাকি তিন পুত্র পদবীবিহীন থাকলেন—আলি আহমেদ, সিদ্দিকুর রহমান এবং সামসুল হক।

সুগন্ধি গেলে আমার অধিকাংশ সময় কাটত দাদার বাড়িতে। দাদিকে দেখার সৌভাগ্য হয়নি। ফর্সা ও দীর্ঘদেহী ছিলেন দাদা লুতফে আলী সরকার। লেখাপড়া জানতেন না, জমিজিরাতও অত ছিল না; কিন্তু ছেলেদের শিক্ষার ব্যাপারে প্রচণ্ড আগ্রহী ছিলেন বলে শুনেছি। প্রয়াত পরিজনবর্গের সবাই আমার অন্তরের অন্তঃস্থলে ছিলেন এবং আছেনও; তবে দীর্ঘদেহী, লিকলিকে স্বাস্থ্যের অধিকারী কর্মক্লান্ত মেজো চাচির (চুনু চাচি) হাসিমাখা মুখ, আদর-আপ্যায়ন এবং সরল-সহজ মন আমার করোটিতে অদ্যাবধি জাগরুক আছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন