বাজেটে সরকারের ১০ অগ্রাধিকার

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২৬, ১৫:৫৮

দেশে সবার অংশগ্রহণ ও অংশীদারত্ব নিশ্চিত করে বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, বিনিয়োগ, জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি, পরিবেশসহ ১০টি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করা হয়েছে।


আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। অধিবেশনে দেওয়া বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ১০টি অগ্রাধিকার খাতের কথা উল্লেখ করেছেন।

সরকারের ঘোষিত অগ্রাধিকার অনুযায়ী, উন্নয়নের সুফল সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং দেশের সব অঞ্চলে সমভাবে পৌঁছে দিতে সুষম অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।


একই সঙ্গে বাস্তবমুখী, দক্ষতানির্ভর ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। মৌলিক অধিকার হিসেবে সবার জন্য মানসম্মত ও সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।


সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে জীবন চক্রভিত্তিক সুরক্ষা বলয় গড়ে তোলায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিশু থেকে প্রবীণ—সব বয়সী ও সব স্তরের নাগরিককে সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থার আওতায় এনে কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিকল্পিত শিল্পায়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে। কৃষিকে উৎপাদন, জীবিকা ও জাতীয় খাদ্যনিরাপত্তার কৌশলগত খাত হিসেবে আরও শক্তিশালী করার কথাও বলা হয়েছে।


ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করায় (ডিরেগুলেশন) জোর দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি সেবায় বিলম্ব ও অপ্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া কমিয়ে স্বচ্ছ, সহজ ও সাশ্রয়ী ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর পাশাপাশি আমানতকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজার সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগ উৎসাহিত করার পরিকল্পনা আছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও