You have reached your daily news limit

Please log in to continue


নারী-বান্ধব বাজেট: সংখ্যার হিসাব নাকি অর্থনৈতিক অগ্রগতির সেতুবন্ধন?

নতুন সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে দেশের মানুষের আগ্রহ আর প্রত্যাশার পারদ স্বভাবতই অনেক বেশি। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন দাম শেষ পর্যন্ত কমবে কি না, কোন খাতে বরাদ্দের পাল্লা ভারী হচ্ছে, সাধারণ মানুষের জীবনে এর কেমন প্রভাব পড়বে—নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তো বটেই, সাধারণ মানুষের মধ্যে চলছে এই এক আলোচনা। কিন্তু এই চেনা আলোচনার আড়ালে আরও যে প্রশ্নটি গুরুত্ব পাওয়া উচিত, তা হলো—আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এই বাজেট আদতে কতটা নারী-বান্ধব হতে যাচ্ছে? দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেককে পেছনে রেখে যে কোনো অর্থনৈতিক পরিকল্পনা যে কেবলই কাগুজে হিসাব, সেই সামাজিক বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে নারী-বান্ধব বাজেটের রূপরেখাটি এখন আমাদের অর্থনীতির জন্য এক বড় পরীক্ষা।

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে যে উল্লেখযোগ্য রূপান্তর দেখেছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্ষুদ্রঋণ, তৈরি পোশাক শিল্প থেকে শুরু করে আধুনিক কৃষি ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোক্তা খাতে নারীর এই দৃশ্যমান উপস্থিতি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোর ভোল বদলে দিয়েছে। আজকের বাংলাদেশে নারীরা কেবল সদস্য নন; তারা স্বাবলম্বী উদ্যোক্তা, দক্ষ পেশাজীবী, দূরদর্শী নীতিনির্ধারক এবং দেশের জিডিপির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন