বিশ্বকাপ মানে যুদ্ধ। জয়-পরাজয়ের আখ্যান। আজ কানাডা, আমেরিকা ও মেক্সিকোতে সেই আখ্যানের গল্পগুলোর মঞ্চায়ন শুরু হবে ১৬ স্টেডিয়ামে। বিরোধ-সংক্ষোভে রক্তাক্ত হতে থাকা পৃথিবী ফুটবল নিয়ে খেলার আনন্দে মেতে উঠবে। ৪৮টি দল রক্তপাতহীন যুদ্ধ শেষে হাতে পাবে একটা সোনার ট্রফি।
মাত্র ৩৮ দিনের ব্যাপ্তি! কিন্তু বিশ্বকাপের অভিঘাত চিরকাল ব্যাপ্তির সীমা পেরিয়ে অসীমের দিকে ডানা মেলে। সেই ডানায় কোটি মানুষের স্বপ্নের শিহরন। একটা সোনার কাপের হাতছানিতে সেই স্বপ্নের শিহরনে দুলতে দুলতে গোটা দুনিয়া এসে দাঁড়িয়েছে কানাডা-আমেরিকা-মেক্সিকোর দুয়ারে। স্বপন পাড়ের ডাক শুনেও যারা যেতে পারবেন না, তাদের জন্য আছে টেলিভিশন আর ডিজিটাল মাধ্যম।
কিন্তু কেন এই উন্মাদনা? যুদ্ধ-প্রেম-মহানুভবতার গল্পে চরিত্র করা? ১২৪৮ জন ফুটবলার খেলবে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮ দলের হয়ে। এরাই বিশ্বকাপ গল্পের মূল চরিত্র। কিন্তু সবাই গল্পের নায়ক নন। বড়জোর পার্শ্বচরিত্র। বিশ্বকাপের নায়ক হবেন হাতেগোনা কয়েকজন। তাদের মধ্যে দু-চারজনকে পাওয়া যাবে মহানায়ক হিসেবে—কাতার বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির মতো। কিংবা কিলিয়ান এমবাপ্পের মতো। এটুকু লেখার পর বিশ্বকাপ নামের এই মহাকাব্যিক আখ্যানের নায়ক হওয়ার মতো কয়েকটা মুখ ভেসে উঠছে মনের কোণে। যাদের একজন অবশ্যই ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। যিনি শেষ বিশ্বকাপ খেলতে নামছেন। আছেন নেইমারও।