স্কুল অ্যান্ড কলেজগুলোর গুণগত ‘অর্জন’
ছয় জেলার সাতটি সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ বিগত আওয়ামী সরকারের শাসনামলে ২০১৪ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে সরকারীকরণ করা হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি ‘স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ শুধু ‘স্কুল’ থাকার সময়ের গৌরব ও সুনাম বহন করে চলেছে। স্কুল থেকে কলেজে উন্নীতকরণের পর সেভাবে সুনাম অর্জন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানগুলো। নবম-দশম শ্রেণির পাশাপাশি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি চালু করে স্কুলের বদলে স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামকরণের পর থেকে বলতে গেলে বিপত্তির সূচনা। দিনে দিনে তা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।
মূলত কোনো রকম প্রস্তুতি এবং সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া প্রধানত আবেগের বশবর্তী হয়ে এমনটা করার কারণে বিপত্তিটার সূচনা বলে শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ। স্কুলগুলোতে তড়িঘড়ি করে উচ্চমাধ্যমিক স্তর খুলে ‘গরিবের ঘোড়া রোগ’ ডেকে আনার কোনো দরকার ছিল না। বলতে গেলে সবখানে শুধু সুদৃশ্য বহুতল ভবনসহ দৃষ্টিনন্দন নানা স্থাপনা দৃশ্যমান। লেখাপড়া একদম উঠে গেছে, শিক্ষার্থী-শিক্ষকের শুধু আনাগোনাটাই চোখে পড়ে। নানা নামের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা, ফরম পূরণ এবং অতঃপর বোর্ডের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া উক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে কৌতূহল না দেখালেও চলবে!
- ট্যাগ:
- মতামত
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান