You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ছাড়পত্রের জটিলতায় আটকা হামের জিনোম সিকোয়েন্সিং

সরকারি প্রতিষ্ঠান জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট (আইপিএইচ) চলমান হামের ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং করার পর নমুনা ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক রেফারেন্স পরীক্ষাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে। কিন্তু এ জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্রের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে তাদের। এ ধরনের আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতায় গত কয়েক বছর কোনো নমুনা বিদেশে পাঠানোই যায়নি। জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, জরুরি পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্যের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতির বাধ্যবাধকতা যৌক্তিক নয়।

বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশ থেকে রোগজীবাণুর জিনগত বৈশিষ্ট্যের প্রতিবেদন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় (ডব্লিউএইচও) পাঠাতে হয়। দেশীয় প্রতিষ্ঠানের ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং (জিনের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ) করার আন্তর্জাতিক অনুমোদন নেই বলে কাজটি করতে হয় ডব্লিউএইচও অনুমোদিত কয়েকটি আঞ্চলিক রেফারেন্স পরীক্ষাগারে।

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, চলতি বছর দেশে হামের প্রাদুর্ভাবের পর তাদের আওতাধীন ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মিজেলস ল্যাবরেটরিতে (এনপিএমএল) ৩০টি নমুনার জিনগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সব কটি নমুনাতেই ভাইরাসের ‘বি-৩’ ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়। দেশের জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের এই ফল ডব্লিউএইচওর আন্তর্জাতিক নথি ও গ্লোবাল ম্যাপিংয়ে যুক্ত করার জন্য নমুনাগুলো এবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন