তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে
তোফায়েল আহমেদ মারা যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব মন্তব্য আর টিপ্পনী দেখলাম, তাতে আমি নিশ্চিত এই জাতির মানসিক সুস্থতা নেই। তার চিকিৎসা এখন সময়ের চাওয়া। মানুষ নশ্বর শরীর নিয়ে পৃথিবীতে আসে, তারপর সময় হলে চলে যায়। এটা নিয়তি, এটাই বিধান। যে যত বড় মানুষ বা বড় ক্ষমতার অধিকারী হোক না কেন, এর কোনো ব্যতিক্রম হবে না। তোফায়েল ভাই স্বাভাবিক নিয়মে লোকান্তরিত হয়েছেন। বুঝলাম তিনি সবার জন্য ভালো ছিলেন না। তেমন ভালো থাকাটা সম্ভবও না। আপনি নিজেকে দিয়ে ভাবেন না কেন?
আপনি যদি আপনার পরিবারের কারও প্রতি বেশি দুর্বল হন, তার মানে এই যে আরেকজনের প্রতি হয়তো আপনি কম দুর্বল। অথবা বড় কোনো ক্যানভাসে ভাবুন—ইরানের জন্য সমব্যথী বা দেশটির পক্ষ নিলে আপনি কোনোভাবেই ইসরায়েলের বন্ধু হতে পারেন না। এই যে সমীকরণ, এর একটা ধারাবাহিক নিয়মেই তোফায়েল আহমেদ একটি বিশেষ দলের ছিলেন। কিন্তু তাঁর মূল পরিচয় আছে ইতিহাসে।