You have reached your daily news limit

Please log in to continue


পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা: দশজনের মধ্যে ৪ জনের আছে ভারতীয় আধার কার্ড

দীর্ঘদিন ধরে ভারতের উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় সবজির ব্যবসা করতেন শামসুল। পরিবারসহ তিনি সেখানেই বসবাস করতেন। কয়েকদিন আগে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে। এরপর বিভিন্ন স্থানে স্থানান্তরের পর বড়বাড়ি সীমান্ত এলাকায় নিয়ে আসা হয়। শুক্রবার ভোরের দিকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করা হলে বিজিবি বাধা দেয়। বিজিবির বাধার মুখে তাঁরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেননি। এরপর থেকেই সীমান্তের শূন্যরেখা সংলগ্ন এলাকায় খোলা আকাশের নীচে জলা এলাকায় পড়ে আছেন। স্ত্রী আর ছোট ছোট দুই সন্তানকে নিয়ে কখনো রোদে পুড়ছেন, কখনো বৃষ্টিতে ভিজছেন। বিশাল এই পৃথিবীতে বড় নিঃস্ব, বড় অনাকাঙ্ক্ষিত তাঁরা! অথচ তাঁদের চারজনেরই ভারতের বৈধ আধার কার্ড রয়েছে।

দিনের বেলায় চারপাশে ভিড় করা উৎসুক মানুষের দিকে তাকিয়ে সময় কাটে তাঁদের। আর রাত নামলে ভারতীয় কাঁটাতারের বেড়ার ওপর স্থাপিত ফ্লাডলাইটের আলোয় সুদিনের জন্য অপেক্ষা! সীমান্তের দুই পাশে দুই দেশের সশস্ত্র সীমান্তরক্ষী বাহিনী। কোন অপরাধ না করেও পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দাগী আসামি যেন তাঁরাই!

আটক হওয়ার সময় তাঁদের কাছ থেকে আধার কার্ড, মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ নিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখন তাই তাঁদের কাছে নেই কোনো পরিচয়পত্র, নেই স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মোবাইল ফোনও। খাবার নেই, নেই বিশুদ্ধ পানি। আছে কেবল অনিশ্চয়তা। তাঁদের দুর্দশা দেখে স্থানীয়রা মাঝে মাঝে কিছু খাবার, পানি এগিয়ে দেন, যদিও তা প্রয়োজনের তুলনায় নিতান্তই অপ্রতুল।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, “তাঁদের যদি ভারতীয় আধার কার্ড থাকে, তাহলে তাদের বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা কেন করা হচ্ছে? তাঁরা যদি ভারতের নাগরিক হয়, তাহলে ভারতকেই তাদের দায়িত্ব নিতে হবে।”

একই এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা জানতে পেরেছি শামসুল, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান ভারতের নাগরিক। তাহলে তাঁদের সীমান্তে ফেলে রাখা মানবিক নয়। দ্রুত বিষয়টির সমাধান হওয়া প্রয়োজন।”

শামসুলের পরিবারসহ মোট ১০ জন এখন সীমান্তের শূন্যরেখা সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। বিষয়টি নিয়ে কোম্পানি ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে একাধিক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন