চ্যাটজিপিটি এবার ব্যবহারকারীদের বিস্তারিত তথ্য মনে রাখবে, ভালো না খারাপ
চ্যাটজিপিটির মেমোরি বা তথ্য মনে রাখার ক্ষমতা বাড়িয়েছে ওপেনএআই। এর ফলে ব্যবহারকারীদের আগের কথোপকথনের সব তথ্য দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করার পাশাপাশি সেগুলো বিভিন্ন কাজের সময় বিশ্লেষণ করতে পারবে চ্যাটবটটি। দীর্ঘদিন সংগ্রহ করা তথ্যের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের পছন্দ, অভ্যাস ও প্রয়োজন সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়ার সুযোগ থাকায় সেগুলো কাজে লাগিয়ে ব্যক্তিকেন্দ্রিক উত্তরগুলো বর্তমানের তুলনায় ভালোভাবে দিতে পারবে চ্যাটজিপিটি। তবে ব্যবহারকারীদের গোপন বা সংবেদনশীল তথ্য দীর্ঘদিন চ্যাটবটটিতে সংরক্ষণের ফলে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা না–ও থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ওপেনএআই জানিয়েছে, ‘ড্রিমিং’ নামের একটি প্রযুক্তির ভিত্তিতে নতুন মেমোরি আর্কিটেকচার তৈরি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এই প্রযুক্তি আগের তুলনায় বেশি সক্ষম এবং তুলনামূলক কম কম্পিউটিং ব্যবহার করে কাজ করতে পারে। পাশাপাশি তথ্য পুরোনো হয়ে যাওয়া, তথ্যের নির্ভুলতা বজায় রাখা ও বিপুল পরিমাণ তথ্য দক্ষতার সঙ্গে ব্যবস্থাপনার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়ও এটি সহায়তা করবে।
২০২৪ সালের এপ্রিলে চ্যাটজিপিটিতে প্রথম মেমোরির সুবিধা চালু হয়। তখন ব্যবহারকারীরা চাইলে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য মনে রাখতে বলতে পারতেন। পরবর্তী কথোপকথনে সেই তথ্য ব্যবহার করে উত্তর দিত চ্যাটবটটি। ২০২৫ সালের এপ্রিলে মেমোরির সুবিধার পরিধি আরও বাড়ানো হয়। সে সময় শুধু সংরক্ষিত তথ্য নয়, আগের বিভিন্ন কথোপকথনের প্রাসঙ্গিক তথ্যও বিশ্লেষণ করে ব্যবহারের সক্ষমতা যুক্ত করা হয় চ্যাটজিপিটিতে। তখনই প্রথম ড্রিমিং প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়।