এবার ‘ঘুরে দাঁড়ানোর’ পালা: প্রধানমন্ত্রী

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৭ জুন ২০২৬, ১৫:৪৯

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসন আমলকে ‘ফ্যাসিবাদী’ আখ্যায়িত করে সে সরকারের সময় শিক্ষা ব্যবস্থাকে অকার্যকর ও বিপর্যস্ত করে তোলার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা। যখন আমরা দেখি আমাদের সামনে এত বিশাল ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা, তখন আমাদের মনোবল আরো বৃদ্ধি পায়।”


রোববার দুপুরে ঢাকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।


জুলাই অভুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে ‘কর্তৃত্ববাদী’ শাসনের অভিযোগ রয়েছে বিরোধীদের। শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের ঘটনাবহুল দেড় বছর পেরিয়ে সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফেরে। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করে বিএনপি।


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আমরা ইনশাল্লাহ অবশ্যই ঘুরে দাঁড়াবো এবার। বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধ অর্জন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে যেসব সাহসী মানুষ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের অবদানকে সম্মান জানাতে চাইলে আমাদেরকে একটি জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র এবং সমাজ গড়ে তুলতে হবে নিশ্চয়ই।


“শিক্ষা-দীক্ষায়, জ্ঞান-বিজ্ঞানে, প্রযুক্তিতে নিজেদেরকে প্রস্তুত রাখতে না পারলে আমি মনে করি, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়বে।”


দেশে ‘কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা’ গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।


সরকারপ্রধান বলেন, “শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষাবিদ এবং শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, জাতীয় উন্নয়ন কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়, এটি একটি সম্মিলিত যাত্রা। এই যাত্রায় বর্তমান সরকার বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, নাগরিক সমাজ এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেক্টর সকলের সহযোগিতা আশা করে।


“আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি, তাহলে আমাদের যে অগ্রযাত্রা আমরা প্রত্যাশা করি সেই অগ্রযাত্রাকে কেউ ইনশাআল্লাহ রুদ্ধ করতে পারবে না।”


তিনি এমন একটি কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বলেন, যেখানে শুধু সনদ দেবে না, দেশে দক্ষ মানবসম্পদও সৃষ্টি করবে, জনসংখ্যাকে জন সম্পদে রূপান্তর করবে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও