শেয়ারবাজারে নতুন নেতৃত্ব, আস্থা ফেরানো বড় চ্যালেঞ্জ

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৫ জুন ২০২৬, ১১:২১

২০১০ সালের শেয়ারবাজার ধসের পর চতুর্থ দফায় বদল হয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) শীর্ষ নেতৃত্ব। ওই ধসের পর চতুর্থ চেয়ারম্যান হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার দায়িত্ব নিয়েছেন বহুজাতিক কোম্পানির শীর্ষ পদে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা মাসুদ খান। এর মাধ্যমে বিএনপি সরকার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে পুনর্গঠন করল।


২০১০ সালে আওয়ামী লীগের মেয়াদকালে বড় ধসের পর ২০১১ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সংস্থাটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন এম খাইরুল হোসেন। এর পর থেকে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন পর্যন্ত বিএসইসির চেয়ারম্যান ছিলেন শিবলী রুবাইয়াত–উল–ইসলাম। আর ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। এই ১৬ বছরে বিএসইসির নেতৃত্বে তিন দফায় বদল হলেও বাজারে বড় কোনো বদল আসেনি। আস্থাহীনতায় বাজারবিমুখ হন বিনিয়োগকারীরা।


বিএসইসির বিগত তিন চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব নিয়ে বাজারসংশ্লিষ্ট ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মোটাদাগে কয়েকটি মূল্যায়ন রয়েছে। তাঁদের মতে, খাইরুল হোসেনের মেয়াদকালে অনিয়ম, দুর্নীতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও বাজারটি পুরোপুরি মুখ থুবড়ে পড়ে। সবচেয়ে বেশি খারাপ কোম্পানি তালিকাভুক্ত হয় খাইরুলের মেয়াদে। এরপর শিবলী রুবাইয়াতের মেয়াদে এসে সেকেন্ডারি বাজারটি কারসাজিকারকদের সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়ে। দুই চেয়ারম্যানের মেয়াদে আইপিও এবং সেকেন্ডারি বাজারের নানা অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ে বিএসইসির কর্মকর্তাদের একাংশ। এরপর বড় রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দায়িত্বে আসেন রাশেদ মাকসুদ। তাঁর সময়ে বাজারে অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ না থাকলেও নেতৃত্ব নিয়ে বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ছিল হতাশা। এ সময়ে বিএসইসির কর্মীদের একটি বড় অংশের মধ্যেই কাজের প্রতি অনীহা দেখা যায়। ফলে খুব বেশি কর্মচাঞ্চল্য ছিল না। এমনকি শেয়ারবাজারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিএসইসির চেয়ারম্যানসহ কমিশনের সদস্যরা কর্মীদের হাতে নাজেহালের শিকারও হন। এ নিয়ে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়। মামলায়ও অভিযুক্ত করা হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

এই সম্পর্কিত

আরও