ভেজাল খাদ্যের বিষে ‘নীল’ মানবদেহ

যুগান্তর প্রকাশিত: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:০৫

বেঁচে থাকার তাগিদে মানুষ ঘাম ঝরানো পরিশ্রম করে। সেই কষ্টের অর্থ দিয়ে নিজের জন্য কিংবা পরিবার পরিজন ও স্বজনের জন্য খাবার কিনে। ভাত-মাছ তরি-তরকারির পাশাপাশি ফলমূল, মুখরোচক খাবার ও বেকারি সামগ্রি কিনে।


সুস্থতার জন্য কিনতে হয় ওষুধ। কিন্তু তার কোনটি কী ভেজাল ছাড়া আছে? সন্ধান পেলেও ব্যস্ত জীবনে কী শুধু খাবার সামগ্রি কেনার জন্য আদৌ দূরদূরান্তে যেতে পারবে? এক কথায় এটি সম্ভব না। এই যখন বাস্তবতা তখন দেশের মানুষ তাদের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণে বাজার ঘাটে, দোকানে, ফুটপাতে বা হাতের কাছে প্রয়োজনীয় যা পায় কিনে নেয়।


পাতে উঠা প্রতিদিনের এসব খাবারের সঙ্গেই মানবদেহে ঢুকছে ‘বিষ’। মাছ, মাংস, ফল, মসলায় অতি মুনাফার লোভে মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান। শিশু খাদ্য-দুধ তৈরি হচ্ছে ক্যামিকেল দিয়ে। জিলাপিতে দেওয়া হচ্ছে হাইড্রোজ। জীবন রক্ষাকারী ওষুধেও মেশানো হচ্ছে ভেজাল। ফ্লেভার ও কাপড়ে ব্যবহৃত রং মিশিয়ে বানানো হচ্ছে ফলের জুস।


পাশাপাশি অপরিপক্ব ফল পাকাতে ব্যবহার করা হচ্ছে কার্বাইড ও হরোমন। যা শুধু সাধারণ মানুষই নয়, শিশুসহ অসুস্থ রোগীর পেটেও যাচ্ছে। নিত্যদিনের খাবারে বিষ মেশানো ভেজাল খাবারে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের খাদ্যচক্রে এসব খাবার চক্রাকারে ঢুকে দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। বাড়ছে ক্যানসার, কিডনি ও লিভারসহ নানা নানা জটিল রোগীর সংখ্যা।


বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই), জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও মাঠ প্রশাসনও বলছে বাজারে ভেজালের মাত্রা বেড়েছে উদ্বেগজনক হারে।


দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন পণ্যে পটাশিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইট ও সারফেস অ্যাকটিভের মতো রাসায়নিক ও ভারী ধাতুর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। আচার, সস, চিপস, মুড়ি, ফলের রস, বাচ্চাদের জুস, চানাচুর, মরিচ-হলুদের গুঁড়া, ঘি, পাউডার দুধ, সরিষার তেল, মাখন, সয়াবিন তেল, ডালডা, মধুসহ নানা পণ্যে এসব ভেজাল ধরা পড়েছে। ল্যাব টেস্টে চিপসের ৬৫ শতাংশে অ্যাক্রিলামাইড পাওয়া গেছে। সম্প্রতি খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধির জন্য ব্যবহৃত কেওড়া ও গোলাপজল পরীক্ষায়ও রাসায়নিক শনাক্ত হয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও