You have reached your daily news limit

Please log in to continue


যুদ্ধ, সামরিক দূষণ এবং মিথ্যা জলবায়ু অঙ্গীকার

দুবাই জলবায়ু সম্মেলনে পরিচয় হয়েছিল জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রুলা আসাদের সঙ্গে। আলাপকালে রুলা বলেছিলেন, ‘...যুদ্ধ ও গণহত্যা বন্ধ না করে জলবায়ু ন্যায়বিচার সম্ভব নয়। গাজায় শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে অন্যায়ভাবে। অস্ত্র তৈরি থেকে শুরু করে একটি যুদ্ধ চালানোর যাবতীয় কর্মকাণ্ড জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিকে বাড়িয়ে দেয়। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমরা ঝুঁকি বাড়াব না কমাব। প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে আমরা ঝুঁকি হ্রাসের অঙ্গীকার করেছিলাম। নিজেদের অঙ্গীকারগুলো বারবার ভুলে যাওয়া অন্যায়।’

যুদ্ধ ও গণহত্যা বন্ধ করে জলবায়ু তৎপরতাকে ‘বেসামরিকীকরণ’ করার আওয়াজ উঠেছে বিশ্বময়। সামরিক খাতে বিনিয়োগ বন্ধ করে ‘জলবায়ু অর্থায়ন’ নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে পৃথিবী।

কিন্তু বিশ্বনেতৃত্ব কথা রাখেনি। ক্রমাগত অস্থির আর দীর্ঘ হয়ে উঠছে যুদ্ধের বাজার। এক একটি যুদ্ধ বিশাল পরিমাণে কার্বন নির্গমন করে এবং পরিবেশদূষণ ঘটায়। যুদ্ধের সামরিক সরঞ্জাম তৈরিতে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক পানি খুন হয়। অথচ দক্ষিণ গোলার্ধের গ্রাম থেকে নগর বস্তির নারী ও শিশুরা এক কলস পানির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে।

আজ ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন বা জলবায়ু তৎপরতা’। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ২০১৫ সালে তৈরি হয় প্যারিস জলবায়ু চুক্তি। বৈশ্বিক উষ্ণতা দেড় ডিগ্রি, জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার হ্রাস এবং বৈশ্বিক জলবায়ু তহবিলের অঙ্গীকার হয়েছিল। কার্বন নির্গমন রোধে রাষ্ট্রগুলো অভ্যন্তরীণ অবদানের জাতীয় দলিল বা ‘ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন (এনডিসি)’ তৈরির অঙ্গীকার করেছিল। বাংলাদেশ এই দলিল জমা দিলেও যুদ্ধবাজ যুক্তরাষ্ট্র বিগত সম্মেলনে তা জমা দেয়নি।

বিশ্বনেতৃত্ব জলবায়ু নিয়ে এখনো বিশ্ববাসীর সঙ্গে প্রতারণা করে চলেছে। অন্যায়ভাবে সময়ক্ষেপণ এবং অঙ্গীকার ভঙ্গ করছে। যুদ্ধ এবং সামরিক বাণিজ্যের মাধ্যমে যে কার্বনদূষণ ঘটছে, সেই তথ্য গোপন রাখছে। জলবায়ু ডিসকোর্সকে জবরদস্তি করে ঔপনিবেশিক ও সামরিকায়ন করা হচ্ছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন