You have reached your daily news limit

Please log in to continue


বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের গৌরব ও বৈশ্বিক স্বীকৃতি

একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সদ্য স্বাধীন দেশ থেকে আজ বিশ্বমঞ্চে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রধানতম কাণ্ডারি হয়ে ওঠার গল্পটি অদম্য আত্মত্যাগ, কঠোর পেশাদারিত্ব এবং কূটনৈতিক দূরদর্শিতার এক অনন্য মহাকাব্য। ১৯৭১ সালে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশ আজ বিশ্বব্যাপী ‘শান্তির দূত’ হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। আর এই অনন্য অর্জনের নেপথ্যে রয়েছে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে আমাদের সশস্ত্র (সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী) এবং পুলিশ বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা।

সম্প্রতি (২০২৬ সালের মে মাসের শেষভাগে) ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস’ উপলক্ষে শান্তিরক্ষা মিশনে কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সামরিক-বেসামরিক বীর সন্তানদের মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করেছে জাতিসংঘ। এবার মরণোত্তর মর্যাদাপূর্ণ ‘দ্যাগ হ্যামারশোল্ড মেডেল’-এ ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশের ৬ জন বীর শান্তিরক্ষী, যা নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক গাম্ভীর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হচ্ছে। এই বৈশ্বিক সম্মাননা আমাদের জাতীয় হৃদয়ে যেমন গভীর বেদনার সঞ্চার করে, তেমনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের কূটনীতি, অর্থনীতি ও মর্যাদাকে নিয়ে গেছে এক অনন্য আন্তর্জাতিক উচ্চতায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন