জুয়াসহ নানা অপরাধে বেনামি সিম-এমএফএস অ্যাকাউন্ট

বিডি নিউজ ২৪ প্রকাশিত: ০৪ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩

বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন শুরু হওয়ার এক দশক পেরোলেও হাত বাড়ালেই মিলছে বেনামি সিম; দোকান থেকে শুরু করে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে রীতিমতো বিজ্ঞাপন দিয়েও তা বিক্রি হচ্ছে।


এমনকি বিকাশ-নগদের এজেন্ট বা মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের নিবন্ধনসহ সিম বিক্রি হচ্ছে ফেসবুক মার্কেটপ্লেসেই।


আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে খুব সহজেই নিজের পরিচয় লুকিয়ে সিমকার্ড সংগ্রহ কিংবা বিকাশ-নগদের মতো এমএফএস অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারার পুরো ‘সুফল’ নিচ্ছে অপরাধীরা।


বেনামি সিমকার্ড দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খোলা হচ্ছে। বেনামি বিকাশ অ্যাকাউন্ট দিয়ে টাকা সংগ্রহ করছে অপরাধীরা। ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট ধরে জালিয়াতদের শনাক্ত করতে পারার কথা; কিন্তু বেনামি পরিচয়ের কারণে তা অনেক ক্ষেত্রেই অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে। এমনকি দেশ থেকে অর্থপাচারেও ব্যবহৃত হচ্ছে এসব বেনামি এমএফএস অ্যাকাউন্ট।


মোবাইল অপারেটর, এমএফএস কোম্পানিগুলো বেনামি নিবন্ধনের কথা স্বীকার করলেও তারা দায় চাপাচ্ছে প্রান্তিক পর্যায়ের এজেন্টদের ঘাড়ে। এ ধরনের অপতৎরতার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য তারা দুষছেন নির্বাচন কমিশন থেকে নাগরিকের বায়োমেট্রিকসহ অন্যান্য তথ্য ফাঁসের বিষয়টিকেও।


তবে তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে জানাশোনা ব্যক্তিরা বলছেন, মোবাইল ও আর্থিক সেবাদাতা অপারেটরদেরও এর দায় নিতে হবে। এখন কেবল এআই টুল ব্যবহার করে এসব সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করা সম্ভব জানিয়ে তারা বলছেন, সেটি করা হচ্ছে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও