মধ্যপ্রাচ্যের পর এবার ইউরোপের বাজারেও কমেছে শাকসবজি রপ্তানি

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০২ জুন ২০২৬, ০৯:২০

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সৌদি আরব ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশে বাংলাদেশের শাকসবজি রপ্তানিতে ধস নামে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর একটি বাজারে রপ্তানি কিছুটা বাড়লেও অন্য দেশগুলোতে অবস্থার কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। শুধু তা–ই নয়, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপের একাধিক দেশেও বাংলাদেশের শাকসবজি রপ্তানি কমে গেছে।


একাধিক রপ্তানিকারকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের কারণে ওই অঞ্চলে অন্যান্য পণ্যের মতো শাকসবজির চাহিদাও কমেছে। চাহিদা হ্রাস পাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের চারটি দেশে বাংলাদেশের শাকসবজি রপ্তানি কমেছে। তবে ইউরোপের তিনটি গন্তব্যে রপ্তানি কমে যাওয়ার মূল কারণ ভিন্ন। সেটি হলো বিমানভাড়া বেড়েছে। এর ফলে গ্রীষ্মকালীন ফলমূল রপ্তানিও অস্বাভাবিকভাবে কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দেশের রপ্তানিকারকেরা।


জানা গেছে, শাকসবজি ও ফলমূল রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ ফ্রুটস, ভেজিটেবলস অ্যান্ড অ্যালাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফভিএপিইএ) নেতারা ঢাকা থেকে লন্ডন, রোম ও টরন্টো এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে শাকসবজি, ফলমূল ও পান পরিবহনের ভাড়া কমিয়ে সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে বিমান বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) চিঠি দিয়েছে। গত ১১ মে লেখা ওই চিঠিতে বলা হয়, বিমানভাড়া না কমানো হলে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে শাকসবজি ও ফলমূল রপ্তানিতে টিকে থাকা যাবে না। এর ফলে দেশের কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হবে।


খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রথম আলোকে জানান, সাধারণত বাংলাদেশ থেকে শীত মৌসুমে দিনে ৩৫ থেকে ৪০ টন শাকসবজি রপ্তানি হয়ে থাকে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশের গন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমান। এর বাইরে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স ও ইতালি এবং উত্তর আমেরিকায় কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রসহ কিছু দেশে রপ্তানি হয় বাংলাদেশের সবজি। বর্তমানে ১৮০টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান নিয়মিত সবজি রপ্তানি করে। গ্রীষ্ম মৌসুমে অবশ্য শাকসবজি রপ্তানি কিছুটা কমে যায়। তবে তখন মৌসুমি ফলমূলের রপ্তানি বৃদ্ধি পায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও