আইফোনে সর্বোচ্চ ডাউনলোড স্পিড পাবেন কীভাবে?
আইফোনে ইন্টারনেটের ধীরগতি নিয়ে অনেকেই বিরক্ত। অনেক সময় ভুল ওয়াই-ফাই ব্যান্ড সিলেকশন বা ব্যাকএন্ডের পুরানো ফোরজি নেটওয়ার্কের কারণে এমনটা হতে পারে।
রাউটারের সেটিংস বদলে ফাইভজি ব্যান্ড আলাদা করা, ‘ফাইভজি স্ট্যান্ডঅ্যালোন’ মোড চালু করা ও ক্লাউডফ্লেয়ারের মতো দ্রুতগতির পাবলিক ডিএনএস ব্যবহার করার মতো কিছু সহজ কৌশলে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ঘরে-বাইরে নিজের আইফোনের ডাউনলোড স্পিড বাড়িয়ে নিতে পারেন।
প্রযুক্তি সংবাদের সাইট স্ল্যাশগিয়ার প্রতিবেদনে লিখেছে, বর্তমানের বেশিরভাগ রাউটারই একইসঙ্গে একাধিক ব্যান্ড নেটওয়ার্ক সমর্থন করে। এতে সাধারণত একটি থাকে ২.৪ গিগাহার্টজ ও অন্যটি আরও দ্রুতগতির ৫ গিগাহার্টজ ব্যান্ড।
সমস্যা হচ্ছে, ব্যবহারকারীর ফোন একবার যে কোনো একটি ব্যান্ড ধরে ফেললে সাধারণত সেখানেই আটকে থাকে। আর ফোনের এ পছন্দটি সবসময় সবচেয়ে দ্রুতগতির অপশন হয় না, বরং ফোন সাধারণত যে সিগনালটি সবচেয়ে শক্তিশালী সেটিকেই বেছে নেয়, যার মানে দাঁড়ায় তুলনামূলক ধীরগতির ২.৪ গিগাহার্টজ ব্যান্ড।
তবে এ শক্তিশালী সিগনালের গতিও সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১৫০ এমবিপিএস-এর মধ্যেই সীমিত থাকে, যা ২০২৬ সালের মানদণ্ড অনুসারে বেশ ধীরগতির। ফলে ব্যবহারকারীর ওয়াই-ফাই স্পিড যদি তার কেনা প্যাকেজের গতির চেয়ে কম মনে হয় তবে তার ব্যান্ডের বিষয়টি একবার ভালো করে যাচাই করে নেওয়া উচিত।
- ট্যাগ:
- প্রযুক্তি
- ডাউনলোড
- ইন্টারনেটের গতি