পোস্তায় আগের জৌলুস ফেরাতে চান কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীরা
এক সময়ে কাঁচা চামড়া সংগ্রহের সবচেয়ে বড় আড়ৎ রাজধানীর লালবাগের পোস্তার সেই চাঙা ভাব আর নেই; নানা টানাপোড়নের মধ্যে থাকা আড়ৎদাররা চান হারানো সেই জৌলুস ফেরাতে।
সেই আশা নিয়ে বরাবরের মত এবারও কোরবানি ঈদের আগে নতুন করে কাঁচা চামড়া সংগ্রহের প্রস্তুতি শুরু করেছেন তারা।
একদিকে আড়ৎ সাফ সুতরো করা হচ্ছে। চামড়া রাখতে পোস্তার বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গুদাম খালি করা আর লবণ জোগাড় করা হচ্ছে জোরেশোরে। পানি ও ব্লিচিং পাউডার ছিটানোর পর কীটনাশক দিয়ে জীবানুমুক্ত করার কাজের ব্যস্ততা নজরে পড়ছে চারপাশে।
আরেকদিকে চামড়া কেনার টাকা জোগাড়েও ছুটছেন পোস্তার ব্যবসায়ীরা। ট্যানারি মালিকদের থেকে পাওনা আদায়ে দৌড়ঁঝাপের পাশাপাশি অন্য উৎস থেকেও অর্থায়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। বড় আড়ৎদাররা চেষ্টায় আছেন ব্যাংক ঋণ পাওয়ার। যদিও ব্যাংকগুলো চামড়া খাতের ঋণ খেলাপিদের নতুন অর্থ দিতে অনীহা দেখাচ্ছে। এতে করে ঈদের আগে ব্যাংক ঋণের পরিমাণ কমছে চামড়া কেনাকাটায়।
শুধু অর্থায়নে টান পড়েছে তা নয়, দীর্ঘদিনের চেষ্টাতেও সাভারের ট্যানারিগুলো পুরোপুরি সচল না হওয়ায় চাহিদা কমেছে কাঁচা চামড়ায়। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে গতি না আসায় এর প্রভাব পড়েছে পুরো খাতে। এ থেকে বাদ যায়নি পোস্তার আড়তের ব্যবসাতেও।
- ট্যাগ:
- ব্যবসা ও অর্থনীতি
- চামড়া ব্যবসা