You have reached your daily news limit

Please log in to continue


ঈদের খাবারে মেনে চলুন স্বাস্থ্যবিধি

ঈদুল আজহা মানেই আনন্দ, ত্যাগ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার উৎসব। এই উৎসবের অন্যতম অনুষঙ্গ কোরবানির মাংস। ঘরে ঘরে নানা পদ রান্না হয়, আত্মীয়স্বজনের দাওয়াত থাকে, খাবারের টেবিল ভরে ওঠে মাংসের নানা আয়োজন। তবে উৎসবের এই আনন্দ যেন শরীরের জন্য কষ্টের কারণ না হয়ে দাঁড়ায় সেদিকে খেয়াল রাখাও জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোরবানির ঈদে মাংস খাওয়ায় কোনো নিষেধ নেই; সমস্যা হয় সাধারণত অতিরিক্ত খাওয়া ও অনিয়মে। একসঙ্গে অনেক বেশি মাংস, বিশেষ করে চর্বিযুক্ত ও মসলাযুক্ত খাবার খেলে বদহজম, গ্যাস্ট্রিক, পেট ফাঁপা, বুকজ্বালা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে হলে খাবারে চাই সংযম ও সচেতনতা।

ঈদের খাবারে স্বাস্থ্যবিধির মূল বিষয়গুলো

  • পরিমিত পরিমাণে মাংস খান: মাংস খাবেন, তবে পরিমাণ বুঝে। একবারে বেশি না খেয়ে অল্প করে খাওয়া ভালো। দিনের বিভিন্ন সময়ে ভাগ করে খেলে হজমে সুবিধা হয়।
  • চর্বি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন: গরু বা খাসির মাংসের দৃশ্যমান চর্বি ফেলে রান্না করা ভালো। অতিরিক্ত তেল, ঘি বা চর্বি দিয়ে রান্না না করাই উত্তম। ভুনার বদলে ঝোল, গ্রিল বা কম তেলে রান্না করা খাবার তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর।
  • মাংসের সঙ্গে সবজি রাখুন: শুধু মাংস নয়; খাবারের সঙ্গে শাকসবজি, সালাদ বা ডাল রাখুন। আঁশযুক্ত খাবার হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি কমায়।
  • পর্যাপ্ত পানি পান করুন: ঈদের ব্যস্ততায় অনেকেই পানি কম পান করেন। এতে হজমে সমস্যা বাড়ে। সারাদিনে পর্যাপ্ত পানি, শরবত বা ফলের রস পান করা প্রয়োজন।
  • মিষ্টি ও কোমল পানীয় কম খান: সেমাই, মিষ্টি, কোমল পানীয় বা অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার সীমিত রাখুন। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের এ বিষয়ে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।
  • দাওয়াতে অতিভোজন এড়িয়ে চলুন: ঈদের দিনে একাধিক দাওয়াত থাকে। সব জায়গায় বেশি খাওয়ার চেষ্টা না করে অল্প অল্প করে খাওয়াই ভালো। রুচির চেয়ে বেশি খেলেই মূল সমস্যা শুরু হয়।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন