কানে সেরা হলো সহমর্মিতার গল্প

প্রথম আলো প্রকাশিত: ২৪ মে ২০২৬, ১২:১৩

৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বর্ণপাম জিতল রোমানিয়ান পরিচালক ক্রিশ্চিয়ান মুঙ্গিউর নতুন সিনেমা ‘ফিওড’। বামপন্থী উদারনৈতিক সমাজের ভেতরের দ্বন্দ্ব ও ভন্ডামিকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো এই চলচ্চিত্রটি উৎসবজুড়ে ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। গতকাল শনিবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিটে উৎসবের সমাপনী দিনে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।


ক্রিশ্চিয়ান মুঙ্গিউ কান উৎসবের পুরোনো পরিচিত নাম। ২০০৭ সালে তাঁর সিনেমা ‘৪ মান্থস, ৩ উইকস অ্যান্ড ২ ডে’ জিতে নেয় স্বর্ণপাম। পরে ‘বিয়ন্ড দ্য হিলস’-এর জন্য পান সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কার ও ‘গ্র্যাজুয়েশন’ তাঁকে এনে দেয় সেরা পরিচালকের স্বীকৃতি। এবার দ্বিতীয়বারের মতো স্বর্ণপাম জিতলেন তিনি।


স্ক্যান্ডিনেভিয়ার সহনশীলতার আড়ালের গল্প


‘ফিওড’-এর গল্প আবর্তিত হয়েছে এক রোমানিয়ান পরিবারকে ঘিরে। কঠোর ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে তারা নরওয়ের এক ছোট্ট গ্রামে নতুন জীবন শুরু করতে যায়। শুরুতে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও ধীরে ধীরে স্থানীয় সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি হতে থাকে।


একপর্যায়ে শিশু নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে পরিবারটির বিরুদ্ধে। এরপরই তাদের সন্তানদের রাষ্ট্রীয় হেফাজতে নেওয়া হয়। অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও পুরো পরিস্থিতি পরিবারটিকে এক দুঃস্বপ্নের মধ্যে ঠেলে দেয়। প্রদর্শনীর সময় দর্শকদের অনেককে বিস্ময়, ক্ষোভ ও আবেগে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়। বিশেষ করে সন্তানদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করার দৃশ্যগুলো হলে তীব্র আবেগ তৈরি করে। ছবিতে অভিনয় করেছেন সেবাস্তিয়ান স্ট্যান ও রেনাতে রেইনসভে।


পুরস্কার গ্রহণের সময় মুঙ্গিউ বলেন, ‘এটি সহনশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও সহমর্মিতার গল্প। আমরা সবাই এসব মূল্যবোধকে ভালোবাসি। কিন্তু এগুলো বাস্তবে আরও বেশি প্রয়োগ করা প্রয়োজন।’


বাস্তব ঘটনার অনুপ্রেরণায় নির্মিত ১৪৬ মিনিটের এই চলচ্চিত্রটি বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। কারণ, এটি নরওয়েজিয়ান সমাজের প্রগতিশীল ভাবমূর্তিকে প্রশ্ন করে এবং একই সঙ্গে রক্ষণশীল ধর্মীয় চরিত্রগুলোর প্রতিও সহানুভূতিশীল অবস্থান নেয়, যা সাধারণত ইউরোপীয় শৈল্পিক ঘরানার সিনেমায় খুব কম দেখা যায়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও