বাম দলগুলো পথহারা ভোটের মাঠে, রাজনীতিতেও
দরিদ্র, শ্রমিক ও কৃষকের জন্য রাজনীতি করার দাবি বাম দলগুলোর দীর্ঘদিনের। কিন্তু ভোটের ফল বলছে, যাদের পক্ষে রাজনীতি করার কথা, সেই শ্রেণির ভোটও তারা টানতে পারছে না। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বামপন্থী জোটের সব প্রার্থীই হারিয়েছেন জামানত।
এই নির্বাচন সামনে রেখে বাম ধারার নয়টি দল জোট গঠন করে। এর মধ্যে এককালে চীন ও রুশপন্থী হিসেবে পরিচিত প্রায় সব ধারার দলই ছিল। জোট গড়লেও আসনগুলোতে একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে পারেনি। যেমন কিশোরগঞ্জ-১ আসনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) আলাদা আলাদা প্রার্থী দেয়। কিন্তু কেউ এক হাজার ভোটের ঘর পেরোতে পারেননি। এমনকি বামপন্থী দলগুলোর জোটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন যে মনীষা চক্রবর্তী, তিনিও বরিশাল-৫ আসনে জোটের একক প্রার্থী ছিলেন না।
গত নির্বাচনে বামপন্থী দলের প্রার্থীরা জয়লাভ তো দূরের কথা, জোটের সব প্রার্থীই জামানত হারিয়েছেন। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট আসনে গৃহীত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের সমান ভোটও তাঁরা পাননি। এই জোটের নাম ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’। গত বছরের ২৯ নভেম্বর জাতীয় কনভেনশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে। জোটের পক্ষ থেকে ১৪৯ আসনে প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল।