You have reached your daily news limit

Please log in to continue


‘আমি বিচার চাই না, আপনারা তা দিতে পারবেন না’

তার বয়স ছিল মাত্র আট বছর। সে ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির এক কনিষ্ঠ ছাত্রী ছিল। সে ফুল ভালোবাসত — এ কথা আমরা জানি তার সেই নিষ্পাপ ছবিটি থেকে, যা নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিটি ছিল এক স্বতঃস্ফূর্ত ও চঞ্চল মুহূর্তের, যেখানে একটি শিশু তার মুখ সামান্য অন্যদিকে ফিরিয়ে রেখেছে, যেন কোনো সাধারণ ও আনন্দদায়ক কিছুতে সে আপনমনে অন্যমনস্ক। ২০২৬ সালের ১৯ মে, মিরপুরের সেকশন ১১-এর একটি বহুতল ভবনের তিন তলায় প্রতিবেশীর ফ্ল্যাটে রামিসা আক্তারকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে, পূর্ব অপরাধের দীর্ঘ রেকর্ড এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একাধিক বিচারাধীন গুরুতর অভিযোগ থাকা ৩২ বছর বয়সী সোহেল রানা তাকে পাশবিকভাবে ধর্ষণ ও হত্যা করে। শুধু তাই নয়, অপরাধ গোপন করার জন্য সে শিশুটির কোমল দেহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে খণ্ড খণ্ড করে ফেলে। পরবর্তীতে বাথরুমের একটি নোংরা বালতি থেকে তার কাটা মাথাটি উদ্ধার করা হয় এবং দেহটি লুকানো ছিল একটি খাটের নিচে। ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ঘাতক রানা পরবর্তীতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন