যশোর সদর উপজেলার বলাডাঙ্গা গ্রামের একরাম আলী খাঁ কোরবানির ঈদ সামনে রেখে তিনটি গরু লালনপালন করেছেন। দুটি গরু ইতিমধ্যে বাড়ি থেকে বিক্রি হয়ে গেছে। অপর গরুটিও ঈদের আগে বাড়ি থেকেই বিক্রি হয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদী।
একরাম আলীর মতো এই গ্রামের শিউলি বেগমের একমাত্র গরুটি কেনার জন্য প্রতিদিন বাড়িতে ক্রেতাদের ভিড় জমছে। শুধু বলাডাঙ্গা নয়, পাশের শ্রীকণ্ঠনগর, মোবারককাঠি ও কাজিপুর গ্রামের কোনো খামারির গরু অন্তত পাঁচ বছর ধরে পশুর হাটে তোলা হয় না। বাড়ি থেকেই ক্রেতারা তাঁদের গরু কিনে নিচ্ছেন। এতে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েই লাভবান হচ্ছেন।