নানির বাগানবাড়িতে চিরঘুমে কারিনা, শেষবিদায় ছিল একান্ত পরিবারের

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৮ মে ২০২৬, ১২:১৫

হাসিখুশি, প্রাণবন্ত মেয়েটি এবার ‘ঘুমিয়ে’ রইলেন চিরদিনের জন্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাঁর উপস্থিতি ছিল উচ্ছ্বাস আর প্রাণের, সেই কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারকে শেষবিদায় জানাতে আজ সোমবার সকালে ভিড় জমেছিল মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার আবদুল্লাহপুর গ্রামে। তবে প্রিয় মানুষটিকে বিদায় জানানোর শেষ মুহূর্তটুকু একান্ত নিজেদের মধ্যেই রাখতে চেয়েছিল পরিবার। তাই দাফন সম্পন্ন হয়েছে পুরোপুরি পারিবারিক আবহে। সেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার ছিল না, মুঠোফোন বা ক্যামেরা নিয়েও কাউকে ভেতরে যেতে দেওয়া হয়নি। ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়াত এই তরুণ অভিনেত্রীকে নানির বাগানবাড়ির আঙিনাতেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে।


আজ সকাল সাতটার দিকে গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর বাসস্ট্যান্ডের পেছনে আবদুল্লাহপুর গ্রামে তাঁর শেষ জানাজা হয়। জানাজা শেষে একই গ্রামের নানির বাগানবাড়ির আঙিনায় তাঁকে দাফন করা হয়।


কারিনা কায়সার ছিলেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় কায়সার হামিদ ও লোপা কায়সার দম্পতির মেয়ে। তিনি গজারিয়া উপজেলার পুরান বাউশিয়া সরকারবাড়ির প্রয়াত আবুল খায়ের ও জোহরা খানমের নাতনি। বরেণ্য দাবাড়ু রানী হামিদ তাঁর দাদি।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় গতকাল রোববার সব আনুষ্ঠানিকতা ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাতেই কারিনার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় গজারিয়ায়। তাঁর নানাবাড়ি পুরান বাউশিয়া গ্রামে হলেও নানি জোহরা খানমের আবদুল্লাহপুর গ্রামের বাগানবাড়িতেই রাখা হয় মরদেহ। সেখানেই সম্পন্ন করা হয় দাফনের সব প্রস্তুতি।
প্রিয় তারকা ও এলাকার ‘নাতনি’–কে শেষবিদায় জানাতে স্থানীয়ভাবে মাইকিং করা হয়েছিল। আজ ভোর থেকেই এলাকার মানুষ জড়ো হতে থাকেন। অনেকেই শেষবারের মতো একনজর দেখতে চেয়েছিলেন তাঁকে। তবে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জানাজা ও দাফনের পুরো আয়োজন সম্পন্ন হয় একেবারে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আবহে। সেখানে মুঠোফোন বা ক্যামেরা নিয়ে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি গণমাধ্যমকর্মীদেরও ঘটনাস্থল থেকে দূরে থাকার অনুরোধ জানানো হয়।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

প্রতিদিন ৩৫০০+ সংবাদ পড়ুন প্রিয়-তে

আরও