নাহিদ রানার সাফল্যের রেসিপি ‘ভালো ট্রেনিং, ভালো খাওয়া, ভালো ঘুম’
দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় সেনসেশন এই সময়ে নিঃসন্দেহে নাহিদ রানা। গতির প্রবাহে তিনি ভাসিয়ে নিয়ে চলেছেন সবাইকে। আলাদা করে নজর কেড়েছেন তিনি গোটা ক্রিকেট বিশ্বেই। উঠতি তরুণ থেকে ক্রমেই হয়ে উঠছেন বড় তারকা। তবে সেই হাতছানি তাকে আকর্ষণ করছে না একটুও। বরং তার ভাবনাজুড়ে আছে কেবল মাঠের ভেতরে-বাইরে শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবন গড়ে উন্নতির পথে থাকার তাড়না।
গতি আর বাউন্স দিয়ে দেশের ক্রিকেটকে তিনি নাড়া দিয়েছিলেন আগেই। সময়ের সঙ্গে তার পারফরম্যান্স ভালো থেকে ক্রমে হয়ে উঠছে আরও ভালো। তাকে নিয়ে চারপাশে চলছে তোলপাড়। সঙ্গে বাড়ছে তাকে নিয়ে প্রত্যাশাও। যখন বল হাতে নামেন, রান আপে যখন ছুটতে থাকে, প্রতিবারই তার কাছে চাওয়া থাকে, বল হাতে তিনি গুঁড়িয়ে দেবেন প্রতিপক্ষকে।
তবে সেই শোরগোল তার কানে এলেও মনে ঢুকতে দিচ্ছেন না বলেই জানালেন নাহিদ। সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে তিন উইকেট নেওয়ার পর বললেন, প্রত্যাশার দুয়ার তিনি নিজের কাছেই বন্ধ করে রেখেছেন।
“আসলে আশেপাশে কী কথা হচ্ছে, এই জিনিসগুলো আমি দেখছি না। কারণ নিজের প্রতি প্রত্যাশা সেরকম নেই। প্রত্যাশা কখনও ভালো কিছু নিয়ে আসে না। আমি শুধু আমার স্কিল যেটা, সেই জিনিসটা মাঠে গিয়ে করে দেখানোর চেষ্টা করি এবং চেষ্টা করি যে, আমার দল আমার কাছ থেকে কী চায়, আমার অধিনায়ক আমাকে কী পরিকল্পনা দেয়।”
“এই ব্যাপারগুলো ঠিকঠাক করতে পারছি কি না, এসবের ওপরে আমার সবসময় মনোযোগ থাকে। আমার এই মনোযোগ এটা থাকে না যে বাইরের থেকে আমার প্রতি কতটা প্রত্যাশা রাখা হচ্ছে। কারণ, প্রত্যাশা যখন নিজের প্রতি নিজে রাখব, তখন সেটা বাড়তি চাপ। এই জিনিসটা (প্রত্যাশা) নিজের প্রতি নিজে রাখছি না। চেষ্টা করছি যতটুক পারা যায়, নিজের স্কিল অনুযায়ী দলকে সহায়তা করার।”
- ট্যাগ:
- খেলা
- সাফল্য
- ক্রিকেটে বাউন্সার
- নাহিদ রানা