চীন থেকে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার ব্যাপারে তাইওয়ানকে সতর্ক করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।
“আমি চাই না যে কেউ স্বাধীনতার দিকে যাক,” বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দুই দিনের সম্মেলনের শেষে শুক্রবার তিনি ফক্স নিউজকে এমনটাই বলেছেন।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে এর আগে বলেছিলেন, তাইওয়ানের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণার প্রয়োজন নেই, কেননা এখনি তারা নিজেদেরকে সার্বভৌম দেশ হিসেবে দেখে।
বিবিসি লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই তাইওয়ানকে সমর্থন-সহায়তা দিয়ে আসছে: দ্বীপটির আত্মরক্ষায় যাবতীয় অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহে তারা নিজেদের আইনেই বাধ্য। ওয়াশিংটনকে প্রায়শই এ মিত্রতা এবং চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের মাঝে সামঞ্জস্যও রাখতে হয়েছে।
স্বশাসিত এ দ্বীপটি নিয়ে তিনি ‘কোনো দিকেই প্রতিশ্রুতি দেননি’। চীন তাইওয়ানকে তার নিজের অংশ মনে করে এবং দ্বীপটিকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে জুড়তে বলপ্রয়োগের সম্ভাবনাও কখনো খারিজ করেনি।
ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘এক চীন’ নীতিতেই বিশ্বাসী, যে অবস্থানের মানে হচ্ছে—তাইওয়ান চীনেরই অংশ। আবার একইসঙ্গে দ্বীপটির সুরক্ষায়ও তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বছরের পর বছর মার্কিন প্রশাসনগুলো এ ‘কৌশলগত ধোঁয়াশা’ ধরে রেখেছে এবং তাইপেকে অত্যাধুনিক অস্ত্র, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে।